Advertisement
E-Paper

লড়াইয়ের দৃশ্যেও নারী ‘যৌনতার প্রতীক’! কিয়ারা, তারা-সহ মহিলারা ‘ভোগ্যপণ্য’ যশের ‘টক্সিক’-এ?

‘টক্সিক’-এ রয়েছে একাধিক নারী চরিত্র। কিয়ারা আডবাণী, নয়নতারা, তারা সুতারিয়া-সহ রয়েছেন একাধিক অভিনেত্রী রয়েছেন। প্রথম ঝলকে দেখা যায়নি তাঁদের। নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, পরের ঝলকে দেখা যাবে অভিনেত্রীদের। কিন্তু সেই ঝলক মুক্তি পেতেই ফের বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ১৪:২৭
Netizens slammed Geetu Mohandas for the way she portrayed women in Yash starrer Toxic

‘টক্সিক’ নিয়ে বিতর্ক চলছেই। ছবি: সংগৃহীত।

যশের ‘টক্সিক’ ছবির প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রথম ঝলক থেকেই এই ছবিকে দেওয়া হয়েছিল ‘নারীবিদ্বেষী’ তকমা। পুরুষের লড়াইয়ের দৃশ্যেও নারীকে যৌনতার প্রতীক হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছিল। দ্বিতীয় ঝলক প্রকাশ্যে আসার পরে সেই অভিযোগই যেন দ্বিগুণ হল।

‘টক্সিক’-এ রয়েছে একাধিক নারী চরিত্র। কিয়ারা আডবাণী, নয়নতারা, তারা সুতারিয়া-সহ রয়েছেন একাধিক অভিনেত্রী। প্রথম ঝলকে দেখা যায়নি তাঁদের। তখনই নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, পরের ঝলকে দেখা যাবে অভিনেত্রীদের। কিন্তু সেই ঝলক মুক্তি পেতেই ফের বিতর্কের আগুনে ঘি। ঝলকের শুরুতেই বলে দেওয়া হয়েছে, এই ঝলক থেকে শিশুদের দূরে রাখতে হবে। তাদের চোখে যাতে এই ঝলক না পড়ে, সেই দিকে নজর দিতে হবে। ঝলকটির নাম, ‘লেডিজ় অ্যান্ড লেডিজ়’।

ঝলকের শুরুতেই সমুদ্রের ধারে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে দেখা যায় যশ ও কিয়ারাকে। এর পরে ঝলকের পরতে পরতে যৌনতা তুলে ধরা হয়েছে বলে মত দর্শকের। নয়নতারাকে প্রথম দৃশ্যে দেখা যায় বাইকে চেপে লড়াই করতে। এর পরে তারা, রুক্মিণী বসন্ত, হুমাকেও দেখা যায়। তবে একটি দৃশ্য নিয়ে দর্শক তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। সেই দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে, যশ একা লড়াই করছেন অসংখ্য নারীর সঙ্গে। সেই নারীদের পরনে কালো রঙের ‘গ্ল্যামারাস’ পোশাক, যা মোটেই লড়াই করার পোশাক নয় বলে মত দর্শকের। দেখা যাচ্ছে, যশ তাঁদের যৌনতায় বশ করছেন এবং লড়াইয়ে পরাজিত করছেন। দৃশ্যটি লড়াইয়ের হলেও, যৌনতার ঝলক রয়েছে প্রতিটি শটের মাঝে। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, “মহিলাদের সঙ্গে লড়াইয়ের দৃশ্য মানেই কি সেখানে যৌনতা রাখতেই হবে?” কেউ আবার বলছেন, “দু’জন পুরুষের মধ্যে শুধুই লড়াই করার ক্ষমতা দেখানো হয়। কিন্তু মহিলা থাকলেই তাঁকে যৌনতার প্রতীক হিসাবে কেন দেখানো হবে?”

এখানেই শেষ নয়। কটাক্ষের তির ছবির পরিচালক গীতু মোহনদাসের দিকেও। কী ভাবে একজন মহিলা হয়ে নিজের ছবিতে মহিলাদের এ ভাবে তুলে ধরতে পারেন, সেই প্রশ্ন তুলছেন নেটাগরিকের একাংশ। বিশেষত ঝলকের একেবারে শেষে একটি মেয়ের মুখের ভিতর যে ভাবে বন্দুকের নল রাখা হয়েছে, তা খুবই ‘অশালীন’ বলে মত কিছু দর্শকের। এই বিতর্কে অবশ্য মুখ খোলেননি গীতু। দর্শকের মতে, সহজে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যই এই ধরনের দৃশ্য তিনি ছবিতে রেখেছেন।

এই ছবি নিয়ে যশ বলেছিলেন, “সাধারণত অ্যাকশন ছবি বললেই পুরুষ পরিচালকদের কথা মাথায় আসে। ভারতে দীর্ঘদিন ধরেই এমনটা হয়ে আসছে। বড় মাপের অ্যাকশন, তার উপর গ্যাংস্টারদের নিয়ে তৈরি ছবির পরিচালনা পুরুষেরাই করে থাকেন। এ বার যদি লড়াইয়ের ছবি নারীর দৃষ্টিভঙ্গিতে হয়, সেটা নতুন হবে।” ছবিটি ২৬ অগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা।

Toxic

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy