একটা সময় ছিল, যখন দাপুটে বাবারা সন্তানের উপর রেগে গিয়ে ‘ত্যাজ্য’ ঘোষণা করতেন। যদিও এখন সমাজের ধরনধারণ বদলেছে। ‘ত্যাজ্য’ করার প্রবণতা আর তেমন নেই অভিভাবকদের মধ্যে। অভিনেতা প্রতীক বব্বর উল্টো পদক্ষেপ করেছিলেন। বাবাকে ‘ত্যাজ্য’ করার মতোই নিজের নামের পাশ থেকে চিরতরে ‘বব্বর’ পদবি সরিয়ে দিয়ে যোগ করে নেন মা স্মিতার পদবি ‘পাটিল’। বিয়েতে বাবা রাজ বব্বরকে ডাকেননি পর্যন্ত। ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ের বছরপূর্তির আগে কী বললেন প্রতীক?
মাত্র কয়েক দিনের প্রতীককে রেখে মারা যান স্মিতা পাটিল। ছোটবেলা থেকে খ্যাতনামী বাবা রাজ বব্বরের কাছ থেকে নাকি অবজ্ঞাই পেয়েছেন, বিভিন্ন সময় এ কথা জানিয়েছেন প্রতীক। জীবনের যাত্রাপথে অনেক অন্ধকার রাস্তায় হেঁটেছেন, কিন্তু কখনওই পাশে পাননি বাবাকে। তাই গত বছর বিয়ের আগেই বাবার পদবি ত্যাগ করেন প্রতীক। বিয়ের আগে হাজার একটা ঝামেলা পোহাতে হয়েছিল প্রতীককে। বাবাকে বিয়েতে না-ডাকার নেপথ্যের কারণ হিসেবে প্রতীক বলেন, ‘‘লোকে অনেক কিছু মন্তব্য করেছে না জেনেই। একদিন সবাই সত্যটা জানবে। হয় বইয়ের পাতায় নয়তো সিনেমার পাতায়। আমরা বিয়ের আগে যা যা বিপদের মুখে পড়েছি, তা শুধু আমরাই জানি।’’ প্রতীক একা নন, স্ত্রী প্রিয়াও বলেন, ‘‘আসলে এত বিপদ দেখে নিয়েছিলাম যে লড়াই করতে করতে নিনজা মনে হচ্ছিল নিজেদের। আসুক এবার বিপদ। দু’জনে ছিলাম দু’জনের জন্য।’’
আরও পড়ুন:
পাশপাশি প্রতীক জানান, বলিউডের বেশির ভাগ বিয়ে লোক-দেখানো, নকল। প্রতীকের স্ত্রী বলেন, ‘‘আমি ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের একজন বলেই জানি, অধিকাংশ লোকের বিয়ে নকল। বাবা-মায়ের কথায় অর্ধেক লোক বিয়ে করে।’’ প্রিয়া কৃতজ্ঞ, তাঁরা একে অপরকে খুঁজে পেয়েছেন এবং কারও প্রভাব ছাড়াই বিয়েটা করতে পেরেছেন।