গৌরব-ঋদ্ধিমা থেকে গীতার রথ টানা! ছোট পর্দায় রথযাত্রা উপলক্ষে নানা চমক
রথযাত্রার রমরমা পৌঁছে গিয়েছে টেলিপাড়াতেও। রিয়্যালিটি শো হোক বা নিত্যদিনের ধারাবাহিক, ছোট পর্দার তারকারাও গা ভাসিয়েছেন এই উৎসবে।
রবিবার রথযাত্রা। শহর, মফস্সল হোক বা গ্রাম, এই দিন নানা জায়গায় বসে রথের মেলা। ধূসর বর্ষায় হঠাৎ উৎসবের রং নিয়ে আসে রথযাত্রা। রথযাত্রার রমরমা পৌঁছে গিয়েছে টেলিপাড়াতেও। রিয়্যালিটি শো হোক বা নিত্য দিনের ধারাবাহিক, ছোট পর্দার তারকারাও গা ভাসিয়েছেন এই উৎসবে। দেখে নেওয়া যাক, ছোট পর্দার রথযাত্রা উদ্যাপনের কয়েক ঝলক।
রথযাত্রা উপলক্ষে রান্নার অনুষ্ঠান ‘রন্ধনে বন্ধন’-এ থাকছে বিশেষ চমক। গৌরব চক্রবর্তী ও ঋদ্ধিমা ঘোষ সঞ্চালিত এই অনুষ্ঠানের সেট সেজে উঠছে রথযাত্রার থিমে। রথযাত্রার কথা মাথায় রেখে এ দিন ঋদ্ধিমা ও গৌরব সাজছেন সাবেকি সাজে।
ঋদ্ধিমার সাজ লাল পাড়ের হলুদ শাড়িতে। অন্য দিকে গৌরবের পরনে লাল পাঞ্জাবি ও ঘিয়ে রঙের ধুতি। রান্নার অনুষ্ঠান। রথের দড়িতে টান দেওয়ার সঙ্গে তাই খাবারেও রয়েছে আসল চমক। জিবেগজা, গজা, পাঁপড়, জিলিপি-সহ থাকছে একাধিক মুখরোচক পদ।
‘সোহাগ চাঁদ’ ধারাবাহিকেও রয়েছে রথযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ এপিসোড। চরকির পাড়ায় এ দিন রথযাত্রার বিরাট উৎসব। রয়েছে জিলিপি ও পাঁপড় খাওয়া ও রথ টানার প্রতিযোগিতা। রথ টানার প্রতিযোগিতায় যাতে চরকি অংশ নেয়, সেই ব্যাপারে উৎসাহ দিতে থাকে সোহাগ।
রাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে রথ সাজায় চরকি। শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে শেষ পর্যন্ত রথ টেনে নিয়ে যায় চরকি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত শেষ মুহূর্তে ছিঁড়ে যায় চরকির রথের দড়ি। কিন্তু বুদ্ধির জোরে কী ভাবে রথ টানার প্রতিযোগিতায় সে জয়ী হয়, তা-ই দেখা যাবে এ দিনের এপিসোডে।
আরও পড়ুন:
‘গীতা এলএলবি’ ধারাবাহিকেও রয়েছে রথযাত্রা নিয়ে বিশেষ এপিসোড। প্রতি বছর রীতি মেনে রথের দড়ি টানে অগ্নিজিৎ। কিন্তু এ বার বাদ সাধে অগ্নিজিতের মা ব্রজবালা। ব্রজবালা চায়, এ বছর রথের দড়ি টানুক অন্য কেউ।
ব্রজবালার কথা অনুযায়ী, রথের দড়িতে টান দেয় গীতা। হইহই করে রথযাত্রা উৎসবের মাঝেই তৈরি হয় নতুন অশনি সঙ্কেত। এক দিকে হাসিমুখে রথের দড়ি টানতে ব্যস্ত গীতা, কিন্তু এটাই তার শেষ রথযাত্রা নয় তো? গীতার জন্য নতুন কোন বিপদ অপেক্ষা করে আছে, দেখা যাবে এই এপিসোডে।
‘রাম কৃষ্ণা’ ধারাবাহিকে রয়েছে অন্য একটি গল্প। গোবিন্দপুরের রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে বছরের পর বছর ধরে হয়ে আসছে জগন্নাথের আরাধনা। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হল, এই মন্দিরের জগন্নাথের রথ এ দিক থেকে ও দিক হয় না, যত ক্ষণ না ভট্টাচার্য পরিবারের কেউ এসে দড়িতে টান দেয়। অবশ্যই পরিবারের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সদস্যের অনুমতিও তার কাছে থাকা চাই।
গত কয়েক বছর ধরে নারায়ণ তার যোগ্য উত্তরসূ্রি রামকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু এই বিষয়টি মোটেই ভাল ভাবে নেয়নি শিব। যেনতেনপ্রকারেণ শিব চায়, রাম যেন রথের দড়ি টানতে না পারে।
আরও পড়ুন:
এই বছর, রাম যাতে রথের দড়ি টানতে না পারে, সেই ব্যাপারে মন্দিরের পুরোহিত এবং ভক্তদের উস্কানি দিতে থাকে শিব। রাম রথ টানলে নাকি পরিণতি ভয়ানক হতে পারে। শেষ পর্যন্ত কী হবে, সেই সন্ধান দেবে এই দিনের এপিসোড।