কপালে হলুদ চন্দন, পরনে সালোয়ার কামিজ, কখনও হাত জোড় করে রয়েছেন, আবার কখনও মহাকালের পুজো করছেন। শিবরাত্রির দিন নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন সারা আলি খান। এমনিতেই, বর্তমান প্রজন্মের নায়িকাদের তুলনায় বরাবরই ছকভাঙা সইফ কন্যা। কখনও উত্তরাখণ্ডে একা ট্রেকিংয়ে যাচ্ছেন। আবার কখনও পাড়ি দিচ্ছেন সিডনি। সারা অনুরাগীদের কাছে জনপ্রিয় তাঁর মিষ্টি ব্যবহারের জন্য। কিন্তু এ বার মহা শিবরাত্রির ছবি দিয়ে নেটাগরিকদের একাংশের কটাক্ষের মুখে পড়লেন অভিনেত্রী। কেউ বললেন, ‘‘নাম মুসলিম, এ দিকে কাণ্ড দেখুন!’’ কারও মতে, ‘‘মুসলিম নাম নিয়ে শিবের পুজো, সারা মুসলিম হওয়ার অযোগ্য, লজ্জা হওয়া উচিত !’’ আবার আরও এক দল এই ছবি দেখে বলে ওঠেন, ‘‘ঘরওয়াপসি’
জন্মসূত্রে মুসলিম সারা। তবে তাঁর মা অমৃতা হিন্দু। সব ধর্মের প্রতি সম্মান রয়েছে তাঁর। তবে শিব ভক্ত বলে বেশ নামডাক রয়েছে সারার। প্রথম ছবি ‘কেদারনাথ’। এ ছাড়াও বিভিন্ন সময় তিনি ঘুরে বেড়ান তীর্থক্ষেত্রে। কখনও কামাখ্যা, কখনও আবার মহাকালেশ্বর মন্দিরে, কখনও কাশী বিশ্বনাথ ধামে শিবের পুজো করেন সারা। অভিনেত্রী এমন ভক্তিরূপ দেখেই গেল গেল রব উঠেছে নেটপাড়ার একাংশের মধ্যে। কট্টরপন্থীদের রোষের মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে। কেউ লিখেছে, ‘‘হয় মুসলিম হও, হিন্দু নয়, একসঙ্গে দুটো ধর্ম কী ভাবে পালন করবে?’’ কারও মতে, সারার স্থান হবে নরকে। তবে এ ধরনের ট্রোলের উত্তর দেন না সারা। তাঁর হয়ে মাঠে নামেন অভিনেত্রীর অনুরাগীরা। কেউ লিখেছেন, ‘‘আপনাকে দেখে গর্বিত সারা।’’ কেউ বলেন, ‘‘আপনার পথচলা আলোয় ভরে যাক।’’
আরও পড়ুন:
সারা একা নন, এর আগে শর্মিলা ঠাকুরের কন্যা সোহা আলি খানকেও ট্রোলড হতে হয় শাড়ি পরার কারণে। তাঁকেও এক সময় বলা হয়েছিল, তিনি মুসলিম নন।