দোল মানেই খুশির উৎসব। এই দিন অনেকেই খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি রঙিন পানীয়ে চুমুক দেন। দোলের দিন ভাং খাওয়ারও চল রয়েছে। সেই চল বাড়ছে। কেউ স্বাদ চেখে দেখার জন্য ভাং খান, কেউ আবার নেশায় ডুব দেন পুরোপুরি। তবে ভাং খেয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েন। কারও বমি, তো কারও শারীরিক অস্বস্তি শুরু হয়।
ভাং খেলে মাথা ঘোরা, গা গুলনো, ক্লান্তিবোধ আসতে পারে। তা ছাড়া শরীরে আর্দ্রতা কমে গেলে যে যে সমস্যা হতে পারে, তা-ও হতে পারে ভাঙের প্রভাবে। কী ভাবে শারীরিক অস্বস্তি দূর করবেন, রইল হদিস।
১) ভাং খাওয়ার পর মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। সেই যন্ত্রণা কমাতে ভুলেও চা-কফির মতো ক্যাফিন জাতীয় পানীয়ে চুমুক দেবেন না। এতে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা বেড়ে যাবে। মাথা ব্যথাও বাড়বে। শরীরে আর্দ্রতার মাত্রা ঠিক রাখতে বেশি করে জল খেতে হবে।
২) লেবু, চিনির জলে চুমুক দিলে ভাঙের নেশা কাটতে পারে। লেবুতে ভিটামিন সি আর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট আছে, যা ভাঙের নেশা কাটাতে সাহায্য করে।
৩) ভাং খাওয়ার পর অনেকেরই খুব ঘুম পায়। সে ক্ষেত্রে কিছু ক্ষণ ঘুমিয়ে নিলে শারীরিক ক্লান্তি আর নেশা দুই-ই কাটবে।
৪) আদায় আছে প্রদাহনাশক উপাদান, যা গা গুলনো কমাতে সাহায্য করবে। আদা চা খেলে দ্রুত কাজ হতে পারে।
৫) নেশা কাটানোর জন্য গরম জলে স্নান করতে পারেন। এতে নেশার পাশাপাশি মাথার যন্ত্রণা থেকেও আরাম পাওয়া সম্ভব।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- বসন্ত প্রকৃতিতে রং ধরেছে। লাল, হলুদ, কমলা ফুলে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে পলাশ গাছগুলি। সেজেছে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া। ফুটেছে শিমুলও। তবে এই রং যেন পূর্ণতা পায় দোলোৎসবে। আবিরে, রঙে, হাসিতে, গানে, আড্ডায় ছড়িয়ে পড়ে খুশির আবহ।
- দোলোৎসবের আগে সেজে উঠুক অন্দরমহল। টাটকা ফুল, আবির, প্রদীপে কী ভাবে ঘরের ভোল পাল্টাতে পারেন?
- ‘খেলব হোলি রং দে না, তাই কখনও হয়!’ বরং রং তোলার সহজ কিছু উপায় জানা থাকলেই হতে পারে মুশকিল আসান। তবে দোল খেলার আগেই জেনে নিন কী ভাবে সহজেই তুলে ফেলতে পারেন রং।
-
রঙের ছুতোয় শরীর ছোঁয়ার ছাড়পত্র! বলিউডের এই সব গানে শুধুই কি নারী শরীরের উদ্যাপন?
-
দোলের দুপুরে পাঁঠার মাংস দিয়ে ভূরিভোজ করে পেট আইঢাই! বিকেলে খান ‘হজমি-চা’
-
দোলের সন্ধ্যায় আড্ডা বসবে, বাদাম দিয়েই বানিয়ে ফেলুন মুখরোচক খাবার
-
দোলের রং কখনও প্রেমের, কখনও ধ্বংসের! উৎসবে কোন কোন ছবি দেখে রঙিন করবেন দিন?
-
দোলের ভূরিভোজে পাঁঠার মাংস চাই-ই-চাই? লাল লাল ঝোল বা কষা নয়, বানিয়ে ফেলুন মটন মনোহারী