পালা-পার্বণ, উৎসবের দিনে জমিয়ে ভূরিভোজ তো থাকবেই। পাঁঠার মাংস, মাছ, তরকারি, চাটনি, মিষ্টি— খেয়ে পেট আইঢাই? আবার বিকেল হলেই চায়ের নেশা আছে। দুই সমস্যার সমাধানে দুধ-চা নয়, খান বিশেষ ‘হজমি-চা’।
বেশি খাওয়া হয়ে গেলে হজম করার জন্য হেঁশেলের কিছু উপাদানেই ভরসা রাখা যায়। তা ঠিক হজমের ওষুধের মতো কাজ করে না বটে। তবে খেলে স্বস্তি মেলে অবশ্যই। এমনই উপকরণে বানিয়ে নিন চা।
মৌরি চা: মৌরি হজমে সহায়ক। মৌরির মিষ্টি গন্ধ গা-বমি ভাব দূর করে। মৌরি দিয়ে বানিয়ে নিন চা। জল ফুটলে মৌরি দিয়ে দিন। খানিকটা ফুটে গেলে জল ছেঁকে তাতে গ্রিন টি ব্যাগ চুবিয়ে চা করে নিন। এতে চিনি যোগ করা যাবে না। চায়ের মতো খেলে, পেট ফোলা বা অস্বস্তি কমবে।
জিরে-আদা চা: জিরে হজমে সহায়ক। আদাও তাই। জল ফুটতে দিন। যোগ করুন ১ টেবিল চামচ জিরে এবং এক টুকরো থেঁতো করা আদা। আঁচ কমিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। নামে চা হলেও চা পাতা যোগ না করেই এই পানীয় খাওয়া চলে। হালকা গরম পানীয়ে চুমুক দিলে পেটফাঁপা বা পেটের অস্বস্তি কমবে।
পুদিনা চা: পুদিনাও হজমে সহায়ক। পুদিনার নিজস্ব সুন্দর গন্ধ আছে। তা ছাড়া পুদিনা পেট ঠান্ডা রাখে। জলে এক মুঠো পুদিনা পাতা দিয়ে আঁচ কমিয়ে ফুটতে দিন। মিনিট ১০ পরে সেই জল ছেঁকে চায়ের মতো খান।চিনি-মধু বাদ দেওয়াই ভাল।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- বসন্ত প্রকৃতিতে রং ধরেছে। লাল, হলুদ, কমলা ফুলে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে পলাশ গাছগুলি। সেজেছে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া। ফুটেছে শিমুলও। তবে এই রং যেন পূর্ণতা পায় দোলোৎসবে। আবিরে, রঙে, হাসিতে, গানে, আড্ডায় ছড়িয়ে পড়ে খুশির আবহ।
- দোলোৎসবের আগে সেজে উঠুক অন্দরমহল। টাটকা ফুল, আবির, প্রদীপে কী ভাবে ঘরের ভোল পাল্টাতে পারেন?
- ‘খেলব হোলি রং দে না, তাই কখনও হয়!’ বরং রং তোলার সহজ কিছু উপায় জানা থাকলেই হতে পারে মুশকিল আসান। তবে দোল খেলার আগেই জেনে নিন কী ভাবে সহজেই তুলে ফেলতে পারেন রং।
-
রঙের ছুতোয় শরীর ছোঁয়ার ছাড়পত্র! বলিউডের এই সব গানে শুধুই কি নারী শরীরের উদ্যাপন?
-
প্রথম বার ভাঙের নেশা করেছেন? শারীরিক অস্বস্তি দূর করবেন কী ভাবে, কী ভুলেও করবেন না?
-
দোলের সন্ধ্যায় আড্ডা বসবে, বাদাম দিয়েই বানিয়ে ফেলুন মুখরোচক খাবার
-
দোলের রং কখনও প্রেমের, কখনও ধ্বংসের! উৎসবে কোন কোন ছবি দেখে রঙিন করবেন দিন?
-
দোলের ভূরিভোজে পাঁঠার মাংস চাই-ই-চাই? লাল লাল ঝোল বা কষা নয়, বানিয়ে ফেলুন মটন মনোহারী