Advertisement
E-Paper

বিরোধী হয়েও ‘চুরি’! সই-কাণ্ডে নালিশ করা দুই বিধায়কের নাম মুখ্যমন্ত্রী জানাতেই ঋতব্রত ও সন্দীপনকে তাড়িয়ে দিল তৃণমূল

বিধানসভার সই-কাণ্ডের তদন্ত হাতে নেয় এ রাজ্যের সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তৃণমূলের দুই বিধায়কের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি সামনে এসেছে। তার পরেই বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ ২২:০১

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গত ১৫ বছরের শাসনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে জনসাধারণের একটা বড় অংশের প্রধান অভিযোগ ছিল ‘দুর্নীতি’। ভোটের ফলপ্রকাশের পর ‘চোর-চোর’ স্লোগান শুনতে হয়েছে খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। জেলায় জেলায় দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান থেকে পুরপ্রধানকে তাড়া করছে সেই ‘চোর-চোর’ ধ্বনি। কিন্তু ক্ষমতা হারানোর পর বিধানসভাতেও তৃণমূল ‘চৌর্যবৃত্তি’ করছে! সোমবার এই ভাবেই ঘাসফুল শিবিরকে কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

ঘটনাচক্রে, শুভেন্দুর সাংবাদিক বৈঠকের অনতিবিলম্বে দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। তাঁদের বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ আনা হয়েছে। সদ্য বহিষ্কৃত দুই বিধায়কের দাবি, ‘ন্যায্য’ এবং ‘সত্য’ বলার জন্যই এই শাস্তি পেলেন তাঁরা। তাঁদের প্রশ্ন, অনৈতিক কাজের বিরোধিতা করা কি ভুল?

তৃণমূলের টিকিটে এই প্রথম বার বিধায়ক হয়েছেন ঋতব্রত এবং সন্দীপন। প্রথম জন উলুবেড়িয়া পূর্ব থেকে। দ্বিতীয় জন নির্বাচিত হয়েছেন এন্টালি থেকে। তাঁদের বহিষ্কারের কার্য-কারণ এবং বিতর্ক খুঁজতে গেলে পিছিয়ে যেতে হবে বেশ কয়েক দিন।

বিধানসভায় সই-বিতর্ক

গত ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের দু’দিন পর ৬ তারিখ বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে বৈঠক করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা। সেখানে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। সে দিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সকলেই হাত তুলে শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন। কিন্তু বিধানসভায় এই সংক্রান্ত প্রস্তাবনা জমা দিতে হয়। সেটা তখনই দেয়নি তৃণমূল। ঘটনাক্রমে ১৩ এবং ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়কেরা। বিরোধী দল হিসাবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। সে জন্য ১৯ মে আবার কালীঘাটে বৈঠক ডাকেন মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ওই দিন অনেকে অনুপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। গন্ডগোল এবং বিতর্কের সূত্রপাত সেখানেই।

বিধানসভার সচিব দেখেন, ওই প্রস্তাবনাপত্রে অনেক বিধায়কের নাম লেখা বড় অক্ষরে, কারও আবার নামে আদ্যক্ষর সই করা। নিয়ম অনুযায়ী, এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনায় পুরো নাম সই করার কথা। সই মিলিয়ে দেখার জন্য ১৩ ও ১৪ মে তৃণমূল বিধায়কদের শপথের দিন হাজিরা খাতায় সই করা পাতা দেখা হয়। তাতে জনা কুড়ি বিধায়কের স্বাক্ষর মেলেনি বলে অভিযোগ। সই জালের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেন বিধানসভার সচিব।

সই-কাণ্ডের তদন্ত

বিধানসভার সই-কাণ্ডের তদন্ত হাতে নেয় সিআইডি। তারা চার বিধায়কের বাড়িতে গিয়েছিল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চৌরঙ্গীর নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার কুণাল ঘোষ, ডোমজুড়ের তাপস মাইতি এবং ক্যানিং পূর্বের বাহারুল ইসলাম। এঁদের মধ্যে বাহারুলের সই নিয়ে ‘বিতর্ক’ তৈরি হয়। ১৯ তারিখের বৈঠকে সই করানো হলেও বিধানসভায় জমা পড়া চিঠিটিতে তারিখ রয়েছে ৬ মে। ওই দিন মমতার বাড়ির বৈঠকে বাহারুল হাজির ছিলেন না। বাহারুল বলেছেন, ‘‘তদন্ত যখন চলছে, তখন এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বেশি কিছু বলব না। শুধু এটুকু বলি, তদন্তকারীরা আমার কাছে জানতে চান ৬ মে আমি কোথায় ছিলাম। আমি তাঁদের জানাই, ওই দিন আমি বাড়িতেই (ভাঙড়ে) ছিলাম। ওই দিনের একটি মিটিংয়ের সই আমায় দেখানো হয়। আমি তাঁদের বলি, ওই দিন আমি কোনও মিটিংয়ে যোগ দিইনি। ভোট-পরবর্তী হিংসার কারণে বাড়িতেই ছিলাম।’’

বিষয়টি দলের গোচরেও এনেছেন বলে দাবি করেন বাহারুল। অন্য দিকে, গোটা পরিস্থিতি নিয়ে প্রবীণ নেতা তথা বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব বলেন, ‘‘আমি ব্যাপারটা বুঝতে পারছি না এই কারণে, আমরা কাউকে দিয়ে জোর করে সই করাইনি। কে লিখেছে জানি না। তবে বাহারুল ওই সইটি দেখে বলেছেন ওটা ওঁর সই নয়।’’ ওই সই-কাণ্ডের সূত্রেই সোমবার অভিষেককে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সোমবার অভিষেক হাজিরা দেননি।

অন্য দিকে, রবিবার কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠকে যোগ দিতে আসা নয়নাকে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মেজাজ হারান তিনি। তাঁর মন্তব্য, ‘‘সই জাল বলবেন না, আমি কোনও সই করিনি। নিজের নাম লিখেছিলাম।''

ঋতব্রত-সন্দীপনের ভূমিকা

নবাগত দুই বিধায়কের দাবি, গত ৬ মে-র বৈঠকে বিরোধী দলনেতা বাছার কোনও রেজলিউশন (প্রস্তাব) হয়নি। স্রেফ একটি উপস্থিতির খাতায় করানো সইকে জালিয়াতি করে সেটা রেজলিউশনে বদলে দিয়েছেন নেতৃত্ব। বিধানসভার সই জাল-কাণ্ডে সোমবার দুপুরে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তখন তিনি জানান, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত এবং সন্দীপনই লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন স্পিকারের কাছে। এখানে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। তৃণমূলের দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই বিধানসভার সচিবালয় হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আর পুলিশমন্ত্রী হিসাবে বিষয়টি তাঁর কানে যাওয়ার পর সিআইডি-কে তদন্তে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। শুভেন্দুর এই ঘোষণার পরেই জানা যায়, তৃণমূল ওই দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করেছে।

তৃণমূল বনাম তৃণমূলদলের দুই বিধায়কের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। সোমবার দুপুরে তার কিছু ক্ষণ পর সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত এবং সন্দীপনের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন আর এক তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে ধন্যবাদ জানান, দুই বিধায়কের ‘স্বরূপ উন্মোচনের’ জন্য। দুই বিধায়ককে ‘সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক’ বলে আখ্যায়িত করে ‘দলবদলু’দের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগ তোলেন কুণাল। বেলাঘাটার বিধায়কের কথায়, ‘‘এ বার বিধানসভা নির্বাচনে দলনেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। দলের প্রতীকেই আমি এবং আমরা বিধায়ক। ফলপ্রকাশের এক মাসও হয়নি। তার আগেই দলে বিদ্রোহ, বিশ্বাসঘাতকতা? দলের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকলে তা হলে আমরা ভোটে দাঁড়িয়েছিলাম কেন?’’ কুণাল দাবি করেন, মমতা চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হলে পরিস্থিতিটাও আলাদা হত। তখন বিদ্রোহী বিধায়কেরাই মন্ত্রী হওয়ার জন্য ‘লবি’ করতেন। এখন ভাল সাজার চেষ্টা করছেন। তৃণমূল বিধায়ক জানান, তাঁরও দলের বেশ কিছু সিদ্ধান্তে ক্ষোভ রয়েছে। কিন্তু সেটা দলের অভ্যন্তরে আলোচনার বিষয়। ঋতব্রত-সন্দীপনকে ‘২০ দিনের বিধায়ক’ বলে খোঁচা দিয়ে কুণাল জানান, এঁরা যা করলেন, সেটা বিশ্বাসঘাতা বই আর কিছু নয়।

শুভেন্দুর ‘ভেটেরান চোর’ খোঁচা

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বিধানসভার সই-কাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ দিতে গিয়ে তৃণমূলকে ‘ভেটেরান চোর’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘এদের যে হেরে যাওয়ার পরেও চুরির অভ্যাস কাটেনি, ‘ভেটেরান’ চোর এরা। এত প্রতিষ্ঠিত চোর দেখা যায় না। নিজের দলের বিধায়কদের সই জাল করেন এবং তিন জন এমএলএ সেটা স্বীকার করেছেন সিআইডির সামনে।’’ অভিষেককে ‘আঞ্চলিক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক’ বলে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘আপনি রেজলিউশনের বুক নিয়ে হাজির হবেন। বাকিটা সিআইডি, পুলিশ বলতে পারবে। সম্ভবত আমাকে ডিজিপি বলছিলেন, উনি সময় চেয়েছেন। সেটা তাঁদের নিয়ম অনুযায়ী করবেন। আমি তদন্তের জায়গায় ঢুকব না।’’ গোটা ঘটনায় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় তুলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, সই বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পুরো বিষয়টির ফরেনসিক পরীক্ষা করানো হচ্ছে। যাঁরা আইনপ্রণেতা হয়েও বিধানসভার নথিতে সই জাল করার মতো জঘন্য অপরাধ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনে অত্যন্ত কঠিন এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

ঋতব্রত-সন্দীপনের খোঁচা

ঋতব্রত মনে করছেন ‘দলবিরোধী কার্যকলাপ’ করেছেন ফলতা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের পালিয়ে যাওয়ার কথা বলে। তিনি একের পর এক ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন। নান না-করে খোঁচা দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেককেও। তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূল পার্টিটাই প্রায় উঠে যাওয়ার পথে। উঠে যাবেও। এই দুর্নীতি নিয়ে একটা ফোর্স চলতে পারে না।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘‘পুষ্পা’ (জাহাঙ্গির) কেন বহিষ্কৃত হল না, ‘পুষ্পা’-কে কেন গার্ড করা হচ্ছে, কেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ফলতায় প্রচারে গেলেন না, এগুলো নিয়ে সরব হয়েছিলাম। অনেকে সে দিন বলেছিলেন, ‘ভাই, বহিষ্কার হয়ে যেতে পারো।’ স্বাভাবিক ভাবে এটা আমার কাছে ক্লিয়ার নয় যে কী কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে।’’ দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলকে বিদ্ধ করে ঋতব্রত জানিয়েছেন, এ সব তিনি আগেও বলতে পারতেন। কিন্তু প্রাণের ভয় ছিল। তৃণমূলের শাসনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো সাহস পাননি বলে জানান। এন্টালির বিধায়ক সন্দীপনের দাবি, ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে হাজির ছিলেন বিধায়কেরা। সে দিন বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে কোনও প্রস্তাব নেওয়া হয়নি। পরে ১৯ তারিখে যে রেজলিউশন জমা দেওয়া হয়, সেখানে ছিল ওই ৬ তারিখে উপস্থিত থাকা বিধায়কদের স্বাক্ষর। তিনি বলেন, ‘‘একাধিক বিধায়ক অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও, তাঁদের স্বাক্ষরের জায়গায় নাম লিখে দেওয়া হয়েছে, যা অনৈতিক ও নিয়মবহির্ভূত। বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েছি। সেই দায়িত্ব থেকেই অভিযোগ জানিয়েছি।’’

মমতার আক্ষেপ

সোমবার তৃণমূলনেত্রী মমতা জানান, দু’জনকে টিকিট দেওয়াই ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। বিশেষ করে ঋতব্রতকে বিঁধে মমতা বলেছেন, উনি একজন নীতিবিহীন মানুষ। ২০১৭ সালে ঋতব্রতকে বহিষ্কার করার জন্য সিপিএমের প্রশংসা করেছেন তৃণমূলনেত্রী। তিনি এ-ও বলেন, ‘‘যাঁরা বিজেপিতে যাওয়ার জন্য মনস্থির করেছেন, তাঁরা বলবেন না পার্টির কেউ দেখেননি। আমি রোজ অফিস খুলে বসছি, অভিষেক এখন অসুস্থ। কিন্তু ও-ও এর আগে বসত। প্রতি দিন আইনত সাহায্য দিই। এগুলো মনে রাখবেন। এখন টাকার মোহে ভয় পেয়ে হঠাৎ করে শুধুমাত্র তৃণমূল ভাঙার চক্রান্তের খেলা খেলছেন। লাভ নেই। আপনারা যদি এই খেলা খেলেন আমি কিন্তু বড় খেলোয়াড়।’’

অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সোমবার ভবানী ভবনে হাজির হতে বলা হয়েছিল তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। সোমবার বিকেলে রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যেরা অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে আবার গিয়েছিলেন। মূল ফটক বন্ধ থাকায় খানিক ক্ষণ অপেক্ষা করেন। পরে জানা যায়, অভিষেককে নোটিস দিতে গিয়েছিল সিআইডি। তবে বাড়ির ভিতরে ঢুকতে পারেনি তাঁরা। অভিষেকের অফিসের এক কর্মীর হাত দিয়ে নোটিস পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিছু ক্ষণ পর অভিষেকের সই করে দেওয়া সেই নোটিসের প্রতিলিপি সিআইডির হাতে পৌঁছে দেন ওই কর্মী। জানানো হয়, অভিষেক এখন অসুস্থ। যদি মঙ্গলবার সিআইডি আসত, তবে হয়তো অভিষেক নিজে এসে নোটিস নিতে পারতেন। সপ্তাহ দুয়েক সময় চেয়েছেন।

Ritabrata Banerjee Sandipan Saha TMC Mamata Banerjee Abhishek Banerjee Suvendu Adhikari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy