অসমের নলবাড়ি হত্যা মামলায় মূল অভিযুক্তের মৃত্যু হল পুলিশের গুলিতে। দিন কয়েক আগে অসমের মুকালমুয়ারের অন্তর্গত গাংপুরে এক হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় মধুরজ্য বর্মণ নামে ১৯ বছর বয়সি এক তরুণের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হয় ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরী। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরই অসম জুড়ে ক্ষোভের জন্ম নেয়।
অভিযোগ, মধুরজ্য এবং খুড়তুতো বোন বাড়ি ফেরার পথে হামলার মুখে পড়েন। অভিযোগ ওঠে রোজ় আলি নামে এক যুবক রয়েছেন এই হামলার নেপথ্যে। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হয় রোজ়। যে ছুরি দিয়ে তিনি হামলা চালিয়েছিলেন, তা খুঁজতে অভিযুক্তকে নিয়ে অভিযানে বার হয়েছিল পুলিশ।
জানা গিয়েছে, সোমবার অস্ত্রের খোঁজে রোজ়কে নিয়ে অভিযানে নামে পুলিশ। যেখানে অস্ত্রটি লুকানো ছিল, সেখানে যায় তারা। অভিযোগ, অভিযান চালানোর সময় পুলিশের কবল থেকে পালানোর চেষ্টা করেন রোজ়। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে লুকোচুরি। অভিযুক্তকে ঘায়েল করতে গুলি চালায় পুলিশ। সেই গুলিতে আহত হন অভিযুক্ত। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
মধুরজ্য নলবাড়ি আঞ্চলিক ছাত্র সংসদের নেতা ছিলেন। কেন তাঁদের উপর হামলা চালালেন রোজ়, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়তে চেয়েছিলেন রোজ়। কিন্তু তা নিয়ে টানাপড়েন হওয়াতেই এই হামলা। তবে পুরো বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। হামলার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।