Advertisement
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
Sohini Sarkar

Sohini Sarkar: ঘোড়ায় চড়ে সোহিনী যাবেন রূপকথার রাজপুত্রকে রণে জয় করতে, স্বপ্ন তেমনই

‘‘আমি প্রচণ্ড পজেসিভ। বিষ্ণুর একাধিক সখা মানতে পারব না। আমিই ওর জীবনে এক এবং এক মাত্র,’’ বললেন সোহিনী সরকার।

রণকে কী ভাবে জয় করলেন সোহিনী?

রণকে কী ভাবে জয় করলেন সোহিনী?

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২১ ১১:৫৯
Share: Save:

গীতায় হাত ছুঁইয়ে এক বারও শপথ নেননি, ‘যাহা বলিব সত্য বলিব। সত্য বই মিথ্যা বলিব না।’ কিন্তু তিনি যে চারটি ছবিতে সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সীর ‘সত্যবতী’! আনন্দবাজার অনলাইন আয়োজিত শনিবাসরীয় লাইভ আড্ডায় শুরু থেকেই সোহিনী সরকার তাই যা বলার খোলাখুলিই বললেন। তখনই কথা প্রসঙ্গে বেরিয়ে এল, ভালবাসার প্রতি তাঁর বিশেষ ভাবনা। অভিনেত্রীর স্পষ্ট জবাব, ‘‘সব সময় রাজপুত্র সাদা ঘোড়ার পিঠে রাজকন্যাকে চাপিয়ে উড়িয়ে নিয়ে যায় দিকশূন্যপুরে। এমনটা আমার ক্ষেত্রে নাও হতে পারে। কে বলতে পারে আমিই হয়তো পক্ষীরাজের পিঠে চড়ে রণজয়কে উড়িয়ে নিয়ে যাব!’’

আলাপচারিতায় অকপটে তিনি জানিয়েছেন, প্রথম ছবি ‘রূপকথা নয়’-এর মতোই তাঁর ব্যক্তি জীবন। শুরুতে তাঁকেও ‘রাক্ষস-খোক্কস’দের হামলা যথেষ্ট সামলাতে হয়েছে। সোহিনী এখনও জানেন না, তাঁর জীবনে রাজপুত্রের সঙ্গে সুখে-শান্তিতে ঘরকন্না করা হয়ে উঠবে কি না।

এত কথার পরে অবধারিত প্রশ্ন, সোহিনীর রাজপুত্র কে? কবে বিয়ে করছেন?

অভিনেত্রীর রাজপুত্রের খবর যদিও গোটা বাংলা জানে। রণজয় বিষ্ণুর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন তিনি। সে কথায় সিলমোহর পড়েছে আড্ডায়। কথায় কথায় এই প্রথম তিনি অনর্গল তাঁর প্রেমিক প্রসঙ্গে। সোহিনী জানিয়েছেন, ২০১৩ সাল থেকে একে অপরকে চেনেন তাঁরা। সেই আলাপ তখন নিছকই মুখচেনার পর্যায়ে। ২০১৯ সালে তাঁরা এক সঙ্গে একটি ওয়েব সিরিজ করেন। এই কাজ তাঁদের বন্ধুত্বে নতুন রং ছড়িয়ে দেয়। কথা প্রসঙ্গে আনন্দবাজার অনলাইনকে সোহিনী প্রথম জানালেন, ‘‘একাধিক সম্পর্ক ভাঙার পরেও রণজয় আমার ভীষণ আপন। কারণ, রণজয় মানুষকে মানুষ হিসেবে গণ্য করে। ওর চোখে নারী-পুরুষের ভেদ নেই!’’ আর তাই চোখে হারান তাঁর ‘বিষ্ণু’দেবকে। ভালবাসেন পাগলের মতো। এতটাই একাধিপত্য ‘বিষ্ণু’র উপরে যে সাফ বলেছেন, ‘‘আমি প্রচণ্ড পজেসিভ। বিষ্ণুর একাধিক সখা কোনও দিন মানতে পারব না। আমিই ওর জীবনে এক এবং এক মাত্র।’’

বিয়ের প্রসঙ্গ যদিও সযত্নে এড়িয়ে গিয়েছেন সোহিনী। পুরনো প্রবাদ আউড়েছেন, ‘জন্ম, মৃত্যু, বিয়ে— তিন বিধাতা নিয়ে।’ তাই তিনি জানেন না কবে, কী ভাবে বিয়ে করবেন। একই সঙ্গে ফাঁস করেছেন, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মধ্যে বাৎসল্য রসের আধিক্য ঘটছে। সোহিনীর দাবি, ‘‘বাড়িতে একাধিক পোষ্য। আমি তাদের মা হয়ে গিয়েছি। বয়সে ছোটদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে ইদানিং ‘মা’ বা ‘বাবা’ সম্বোধন চলে আসে। বিয়ে হয়নি। তা বলে এই বিশেষ অনুভূতি থেকে বঞ্চিত নই।’’

তার পরেই আশ্বস্ত করেছেন, তিনি বিয়ে করলে সেই খবর সবাই পাবেন।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.