এই প্রথম ভাষ্যপাঠে সোহিনী সরকার। মঞ্চে অভিনয়ে তাঁকে প্রায়শই দেখা যায়। কিন্তু ভাষ্যে রবীন্দ্রনাথের জন্মদিনের নানা গল্প বলবেন তিনি ১৩ মে হাইল্যান্ড পার্কের রবীন্দ্র-বিষয়ক অনুষ্ঠানে। ‘‘রবীন্দ্রনাথ একেক সময়ে একেক রকম ভাবে জন্মদিন পালন করেছেন। ৩৯ বছরের জন্মদিনে যেমন রবিজীবনীকার প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় কবিকে কবিতা লিখে দেন। আর এক জন্মদিন,় বয়স যখন ৪৭। জন্মদিন সে ভাবে পালন করা হল না। কারণ সে বছরই চলে গিয়েছে ছোট ছেলে শমী। আবার ৫৬ বছরের জন্মদিেন রবীন্দ্রনাথ রেঙ্গুনে। রেঙ্গুনবাসী অভ্যর্থনা জানালেন, ‘জয় রবীন্দ্রনাথের জয়’ বলে,’’ এ রকমই নানা গল্পের কথা বলবেন সোহিনী। ছোটবেলার স্কুলের অভ্যেসটা ফিরিয়ে আনতে চাইছেন তিনি এই নতুন ভূমিকার মধ্যে দিয়ে। শুধু এস্রাজের সঙ্গে গাওয়া হবে জন্মদিনের গান। শোনা যাবে, রবীন্দ্রনাথের শেষ জন্মদিনে লেখা ‘হে নূতন, দেখা দিক আর-বার’।’’ শুধু সিনেমাই নয়, শিল্পের নানা মাধ্যমে নিজেকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন সোহিনী। বললেন, ‘‘এ রকম একটা অনুষ্ঠানে যুক্ত হলাম সুজয়প্রসাদের জন্য।’’ জন্মদিনের এই অনুষ্ঠানে সুজয়প্রসাদ ছাড়াও থাকবে জয়তী চক্রবর্তীর গান।