সদ্য দ্বিতীয় বার মা হয়েছেন অভিনেত্রী সোনম কপূর। বড়ছেলে বায়ুর নামকরণের অনুষ্ঠান ধুমধাম করে আয়োজন করেছিল অহুজা পরিবার। ছোটছেলের নামকরণ অনুষ্ঠানেও দেখা গেল একই জাঁকজমক। সোনম এবং আনন্দ অহুজার ছোটছেলের নাম রুদ্রলোক কপূর অহুজা। এই নামকরণের নেপথ্যে রয়েছে অনেক ভাবনা। সে কথাও ভাগ করে নেন অভিনেত্রী।
২৯ মার্চ দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেন সোনম। একাদশীর দিন ছেলের জন্মের সঙ্গে আধ্যাত্মিক যোগ রয়েছে। অভিনেত্রী নিজেদের ছবি ভাগ করে নিয়ে লেখেন, ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদে জন্ম হয়েছে রুদ্রলোকের। বায়ু এবং রুদ্রের সম্পর্ককে ‘স্বর্গীয়’ বলে ব্যাখ্যা করেন তাঁরা।
দম্পতি তাঁদের নবজাতকের নামের নেপথ্যের গভীর আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যাও ভাগ করে নেন। যা প্রাচীন বৈদিক প্রতীক ও দেবীয় শক্তির সঙ্গে যুক্ত। সোনম এবং আনন্দ লেখেন, “বেদ অনুযায়ী ‘রুদ্র’ শব্দটি সংস্কৃত ধাতু রুদ থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘গর্জন করা’। এই নাম অসীম শক্তি, আরোগ্য, পুনর্জাগরণ এবং রূপান্তরের প্রতীক।”
নামের অর্থ আরও ব্যাখ্যা করে তাঁরা লেখেন, “রুদ্র হল সবচেয়ে শক্তিশালীদের মধ্যেও সর্বশক্তিমান। ঝড়, শ্বাস, আরোগ্য ও পুনর্জাগরণের নেপথ্যে থাকা ঐশ্বরিক শক্তি।” একই সঙ্গে সোনম ব্যাখ্যা করেন বড়ছেলের সঙ্গে ছোটছেলের নামের সংযোগ। রুদ্রের সঙ্গে বায়ুর গভীর সম্পর্ক রয়েছে, কারণ বায়ু হল জীবনীশক্তি বা প্রাণ, যা সমস্ত জীবের মধ্যে প্রবাহিত হয়।
আরও পড়ুন:
নবজাতকের জন্য আশীর্বাদ জানিয়ে তাঁরা লেখেন, “নিজের নামের মতোই রুদ্র যেন বড় হয়ে নির্ভীক, সহানুভূতিশীল, গভীর ভাবে সচেতন এবং শক্তি ও আলোর এক প্রতীক হয়ে ওঠে।” দুই ছেলের সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ভাগ করে নিলেও, একরত্তিদের মুখ এখনও সে ভাবে প্রকাশ্যে আনেননি সোনম এবং আনন্দের কেউই।