×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ই-পেপার

বিনোদন

দেওয়ালে টেরাকোটার কাজ, ৯ বছর আগে স্বপ্নের বাড়ি কিনতে লারা দত্তের কত খরচ হয়েছিল জানেন

নিজস্ব প্রতিবেদন
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৪:১২
অভিনেত্রী লারা দত্ত এবং টেনিস তারকা মহেশ ভূপতি তাঁদের দাম্পত্যের ১০ বছর পূর্ণ করলেন। ২০১১ সালে তাঁরা বিয়ে করেছিলেন।

সম্প্রতি লারা ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। মহেশ এবং একমাত্র মেয়ে সাইরার সঙ্গে কাটানো বিশেষ কিছু মুহূর্ত তুলে ধরেছেন তিনি।
Advertisement
প্রতি মুহূর্তই তাঁদের নিজেদের বাড়িতেই কাটানো। লারা এবং মহেশের বাড়ির কিছু ঝলক দেখা গিয়েছে তাতে।

লারা এবং মহেশের দু’টি বাড়ি রয়েছে। একটি বাড়ি রয়েছে মুম্বইয়ে। অপর বাড়িটি রয়েছে গোয়ায়।
Advertisement
মেয়ে সাইরার জন্মের পরই লারা এবং মহেশ মুম্বইয়ের বাড়িটি কেনেন। ২০১২ সালে বাড়িটি কিনেছিলেন তাঁরা।

বান্দ্রার পালি হিলের শৈলজা অ্যাপার্টমেন্টে রয়েছে বাড়িটি। কপূরদের বাড়ি ‘কৃষ্ণরাজ’ থেকে মাত্র ৪টি ব্লক দূরে বাড়িটি।

প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকায় বাড়িটি কিনেছিলেন তাঁরা। ২০১৭ সালের বর্ষায় মুম্বইয়ের যখন প্রায় ভেসে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তাঁদের বাড়িতেও জল ঢুকে গিয়েছিল।

সে সময় একটি ছবি টুইট করে নেটাগরিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন লারা। ছবিতে দেখা গিয়েছিল, দরজার ওপারে জল জমে গিয়েছে এবং এপারে দরজার নীচে তোয়ালে দিয়ে সেই জল আটকানোর চেষ্টা করছিলেন লারা।

মজার বিষয় হল তোয়ালেগুলো ছিল মহেশের। তাতে অবশ্য মহেশ কিছুটা রেগে গিয়েছিলেন। কিন্তু নেটাগরিকরা খুব মজা নিয়েছিলেন বিষয়টির।

বাড়ির সামনে সুন্দর ছিমছাম বাগান রয়েছে। করোনভাইরাসের জেরে লকডাউনের সময় সেই বাগানেই একসঙ্গে তিনজনকে শরীরচর্চা করতে দেখা গিয়েছিল।

মু্ম্বইয়ের এই বাড়ির বৈঠকখানার একটি দেওয়াল পুরোটাই কাচের। বৈঠকখানায় বসেই বাইরে বাগানের শোভা দেখা যায়।

লারা-মহেশের গোয়ার বাড়িটি আরও সুন্দর। বাড়ির একেবারে সামনেই রয়েছে গোলাকার দুটো সাদা থাম। যা বাড়িটিকে একটি অন্য রূপ দিয়েছে।

এই বাড়িতেও সুন্দর বাগান রয়েছে। দেওয়ালে রয়েছে টেরাকোটার কাজ। যা অনন্য মাত্রা যোগ করেছে বাড়িতে।

বাড়ির সদর দরজা নীল রঙের। তার সঙ্গে মানানসই করে জানলাগুলোও নীল রং করা হয়েছে।

পুরো বারান্দা জুড়ে রয়েছে হলুদ নকশা করা টাইলস আর গোলাকার সাদা থামের সমাহার। মূলত ছুটি কাটাতেই গোয়ার এই বাড়িতে আসেন লারা-মহেশ।