কলের বউ হয়ে কেমন লাগছে?

ভাল লাগছে। কিন্তু নার্ভাসনেসটাই বেশি।

কেন?

মানে...ডাবল রোলের একটা বেশ চাপ আছে। এই যে দুটো রোল... দুটোই তো আগে প্লে করিনি... তো সামথিং ভেরি ভেরি নিউ ফর মি। কী ভাবে দর্শক নিচ্ছে, হাউ আই অ্যাম গোয়িং টু ডু... তো সবকিছু মিলে ভাল লাগার থেকে নার্ভাসনেসটা একটু বেশি।

আপনার বিনুনি দুটো দুদিকে উঁচু হয়ে থাকে।

হ্যাঁ, ওটাই টেঁপির লুকস... টেঁপির লুকসের ইউএসপি আর কী!

‘নসিব আপনা আপনা’-র চন্দুর (রাধিকা) বিনুনির মতো?

এটা তো আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়, কোথা থেকে কী নেওয়া হয়েছে। সেটা চ্যানেল এবং যারা লুকস দেখছেন তাঁরা বলতে পারবেন। তবে ওখানে একটা বিনুনি ছিল, টেঁপির দুটো বিনুনি। টেঁপির লুকসটা খুব ইন্টারেস্টিং, সামথিং ভেরি ভেরি নিউ, আই লুক ভেরি ডিফারেন্ট... সবার একটাই প্রশ্ন এই বিনুনি দুটো কী করে করেছ... তো হ্যাঁ, সেদিক থেকে আই অ্যাম কোয়াইট এক্সসাইটেড(হাসি)।  

আরও পড়ুন, মুসলিমকে ভালবেসেছি বলে মেরেছিল বাবা, বিস্ফোরক হৃতিকের দিদি

টেঁপি ছাড়া আর একটা চরিত্র...

তমসা। তমসাকে প্রোমোতে দেখা গেলেও এখনও সিরিয়ালে দেখা যায়নি।

টেঁপি তাহলে কী করছে?

টেঁপির এখন বিয়ে চলছে দীপের (রোহন ভট্টাচার্য) সঙ্গে। সে একেবারে গ্রামের মেয়ে। কিছুই পারে না। কিন্তু বাড়ির বউ-এর থেকে তো অনেক এক্সপেক্টেশন থাকে যে বউ দেখতে এমন হবে, অনেককিছু পারবে... তো সেটা ফুলফিল করবে তমসা।


টেঁপির লুকে তৃণা।

শুটের ফাঁকে কী হচ্ছে?

আমাদের প্রচুর খাওয়া দাওয়া হচ্ছে। প্রচুর ‘টিকটক’ ভিডিও করছি। ভীষণ আড্ডা, মজা, নাচ সব হচ্ছে। অনসেট যেরকম দেখা যাচ্ছে অফসেটও সেরকম হচ্ছে। কারণ বিশাল একটা পরিবার, এতগুলো ভাইবোন, সবাই এত মজার, ইভেন সিনিয়াররাও খুব মজার... আই থিঙ্ক, অনসেট অফসেট সব একাকার হয়ে গেছে... মানে একটা বিয়ে চলছে... তো শুট ও শুটের বাইরের আড্ডা, খাওয়াদাওয়া একটা বিয়ের মতোই হয়ে গেছে... সকাল থেকে সবাই এসে সাজছে গুজছে, নাচছে... একেবারে একটা বিয়ের অ্যাম্বিয়ন্স।

আপনার নতুন হিরোর সঙ্গে কেমন সম্পর্ক?

রোহনকে আমি আগে থেকেই চিনি। আমরা কিছু অনুষ্ঠানের অ্যাঙ্কারিং করেছি একসঙ্গে। তো আগে থেকেই আমাদের একটা ফ্রেন্ডশিপ আছে। ফ্রেন্ডশিপ থাকলে একটা তো কমফোর্ট লেভেল থাকেই। রোহন ছাড়াও সব কোঅ্যাক্টররা এতটাই ভালো যে সবকিছু মিলে শুটিং ইজ ফান।

আরও পড়ুন, ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া..’-র এই ভুলগুলো খেয়াল করেছেন কখনও!

মেয়েদের বিষয়ে পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি কী রোবট-মেয়ের প্রতিও থেকে যাচ্ছে?

মেয়েদের বা মায়েদের ওপর নির্ভর করে তো সংসার তৈরি হয়। আমাদের সুন্দর ফিউচার, সেটাও সংসারে মা বা কোনও মেয়ে না থাকলে পসিবল না। এটাই আমরা জেনে এসেছি। কিন্তু তার মানে এই না যে মেয়েদের ছোট করা হচ্ছে। মেয়েরা কিন্তু ইকুয়ালি বাইরের কাজও সামলাচ্ছে। এটাই একটা ন্যাচারাল টেনডেন্সি। সবাই এক্সপেক্ট করে বাড়ির বউ বা মেয়েরা সবকিছু সামলে নেবে। টেঁপি কিন্তু একেবারেই কিছু জানে না। সে এতটাই বোকা যে বাচ্চার জন্ম কী ভাবে হয় সেটাও জানে না। এ দিকে ওর বিয়ে হচ্ছে বিশাল এক জমিদার বাড়িতে। তো ওকে অনেককিছু জানতে হবে। এ দিকে ওর বর চায় না যে টেঁপিকে কেউ ছোট করুক। তো যতদিন না টেঁপি সবকিছু শিখে যাচ্ছে ততদিন তমসার ওপরেই নির্ভর করতে হচ্ছে।তমসা জেনারেল এক্সপেকটেশনস ফুলফিল করছে। যন্ত্রপাতি যেমন মানুষকে হেল্প করে তেমন অনেক ভুলভ্রান্তিও হয়। আই অ্যাম সিওর যে তমসাও নিশ্চয় কেলেঙ্কারি করবে(হাসি)।

নীলের (ভট্টাচার্য) সঙ্গে প্রেম কেমন চলছে?

যে ভাবে চলার সে ভাবেই চলছে। সব ঠিক আছে, একদম পারফেক্ট।


নীল এবং তৃণা।

দেখা সাক্ষাৎ হচ্ছে?

দেখা... মানে খুবই কম হয়ে গেছে ব্যাপারটা। বুঝতেই পারছেন, দুজনেই শুটিং-এ ব্যস্ত। কিন্তু চেষ্টা করি, সময় তো অ্যাডজাস্ট করতেই হবে। অ্যাডজাস্ট করার চেষ্টা চলছে এখন। আদারওয়াইজ সব ঠিকঠাক আছে। মারাত্মক লেভেলে আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে আমাদের মধ্যে। ও জানে যে আমি কাজ করছি, আমিও জানি ও কাজ করছে। তো আমাদের...মাঝে মাঝে দেখাও হচ্ছে। চোদ্দ ঘন্টার শুট হয়ে আমাদের একটু হলেও সুবিধেই হয়েছে (হাসি)। এভরিথিং ইজ গুড... সো গুড সো ফার।

দুজনের ফ্যানদের বক্তব্য কী?

আপাতত আমাদের কাছে খবর আছে যে পিপল আর হ্যাপি বিং আস টুগেদার। কেউ নেগেটিভ কিছু বলেনি। কিন্তু কেউ কিছু বললেও খুব একটা ম্যাটার করে না। আই অ্যাম হ্যাপি, হি ইজ হ্যাপি, আমাদের সারাউন্ডিংস-এ যারা মাট্যার করে তাঁরা হ্যাপি, ফ্যানরাও হ্যাপি (হাসি)। মানে এভরিথিং পজিটিভ অনলি।  

এনগেজড জেনেও কি প্রোপোজাল আসে?  

সে তো আসেই। সত্যিটা জেনেও লোকে পাঠায়। লোকের ভালোবাসা পেতে কার না ভাল লাগে! আমিও পাচ্ছি, আমারও ভাল লাগছে... হা হা হা  

(টলিউডের প্রেম, টলিউডের বক্স অফিস, বাংলা সিরিয়ালের মা-বউমার তরজা -বিনোদনের সব খবর আমাদের বিনোদন বিভাগে।) 

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube Channel - এ।