ধর্ম পরিবর্তন করেছেন উর্ফী জাভেদ? নামও বদলে ফেলেছেন তিনি? সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের একটি ভিডিয়োয় দাবি করলেন এক নেটপ্রভাবী। মিতা চৌধরী নামে সেই মহিলা নিজেকে প্রাক্তন সাংবাদিক বলেও দাবি করেন। পাল্টা জবাব দিলেন উর্ফীও।
ওই মহিলা দাবি করেছিলেন যে, উর্ফী হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং নিজের নাম বদলে ফেলেছেন। এমনকি এ-ও বলেছিলেন যে, উর্ফী নাকি এমন ছোট পোশাক পরেন যে, তাঁকে ‘অর্ধনগ্ন’ দেখতে লাগে। এমন পোশাক পরেই নাকি উর্ফী বিখ্যাত হয়েছেন। একটি ভিডিয়োয় উর্ফীকে কটাক্ষ করেন তিনি। মিতা বলেন, “ওর জনপ্রিয়তার অন্য কোনও কারণ নেই। ও সব সময়ে ছোট পোশাক পরার জন্যই পরিচিত।”
মিতা আরও বলেন, “উর্ফী আগে মুসলিম ছিলেন। এখন নিজের নাম বদলে রিতা ভরদ্বাজ হয়েছেন তিনি। তার মানে, তিনি তো ধর্ম পরিবর্তন করেছেন। তিনি মুসলিম থেকে এখন হিন্দু হয়েছেন।” কিন্তু উর্ফীও ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নন। তিনিও পাল্টা জবাব দিয়েছেন। মিতার ওই ভিডিয়োটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভাগ করে নিয়ে উর্ফী লেখেন, “আন্টি, একটু ভাল করে খোঁজ নিন। আমি কখনও নিজের নাম বা ধর্ম পরিবর্তন করিনি। আমি কোনও ধর্মেই বিশ্বাস করি না।” ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি আরও লেখেন, “আমি শুধু পোশাকের দিক থেকে নগ্ন নই, আমার কথার দিক থেকেও আমি খুব নগ্ন ও সোজাসাপটা। তবে আজ উত্তর দেওয়ার ইচ্ছে নেই। সমালোচনা করতে চাইলে করুন, কিন্তু মিথ্যা খবর ছড়াবেন না।”
আরও পড়ুন:
উর্ফী আরও বলেন, “আমি আপনাকে নিয়ে আর বেশি কিছু বলতে পারব না, কারণ আপনাকে নিয়ে কারও কোনও আগ্রহ নেই।” উর্ফী জানান, মিতা তাঁকেও মেসেজ পাঠিয়ে সরাসরি আক্রমণ করেছেন। নেটপ্রভাবী তাই খোঁচা দেন, “মিতা আন্টি খুব রেগে গিয়েছেন! আন্টি আমাকে এমন কিছু মেসেজ পাঠিয়েছেন যা খুবই উস্কানিমূলক ছিল। আমি সেগুলো প্রকাশও করতে পারছি না। পরে তিনি সেগুলি ডিলিট করে আমাকে ব্লক করে দিয়েছেন। কিন্তু ওঁর তথ্য ভুল। আমার কোনও অঙ্গ নকল নয়। ওঁর মুখে বয়সের ছাপ পড়েছে বলে তিনি এত কথা বলছেন।”
এখানেই শেষ নয়। মিতাকে মজা করেও খোঁচা দিয়েছেন উর্ফী। নেটপ্রভাবী তাঁর পোস্টে লেখেন, “আমি ওঁর প্রতি অসম্মানজনক কিছু বলতে চাই না। কারণ ওঁকে দেখতে আমার দাদুর মতো।”