গত এক-দু’মাসে ধারাবাহিক সম্প্রচারের ধারা বদলেছে। সময়ও বদলেছে। বেশ কিছু ধারাবাহিক বেশি সময় ধরে দেখানো হচ্ছে। আগে যেমন আধ ঘণ্টা করে সম্প্রচারিত হত প্রতিটি ধারাবাহিক। এখন আবার কোনও কোনও কাহিনি দেখানো হয় ৪৫ মিনিট ধরেও। ফলে ইদানীং টিআরপি-তে নম্বরের হেরফেরও দেখা যাচ্ছে।
চলতি সপ্তাহে নম্বরের খেলায় নিজেদের হারানো স্থান ফিরে পেয়েছে ‘পরিণীতা’। একটা সময়ে টানা শীর্ষেই দেখা যেত রায়ান-পারুলের নাম। কিন্তু মাঝে প্রতিযোগিতা থেকে খানিকটা সরেই গিয়েছিল তারা। আবার ধীরে ধীরে পুরনো জুটি নিজের হারানো জায়গা ফিরে পাচ্ছে। এই সপ্তাহে তারা পেয়েছে ৫.৩। একই নম্বর পেয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকটিও। পল্লবী শর্মা এবং বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জুটিও নজর কেড়েছে দর্শকের।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’। এখন ধারাবাহিক সম্প্রচারের সময়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এই মুহূর্তে পরশুরাম যে সময়ে সম্প্রচারিত হয়, সেই গল্পের সঙ্গেই মিশিয়ে দেওয়া হয় বিদ্যার কাহিনির কিছু অংশ। প্রায় ৪৫ মিনিট সম্প্রচারিত হয় পরশুরাম-তটিনীর কাহিনি। এই ভাবে বিভিন্ন গল্পের মিশেলেই সম্প্রচারিত হচ্ছে অনেকগুলো ধারাবাহিক। এই সপ্তাহে ৫.১ পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’।
সময়ের অদলবদল, টিআরপির ওঠাপড়ার মাঝে নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে সফল ‘জোয়ার ভাঁটা’। এমনিই নিশার বিয়েকে কেন্দ্র করে গল্প মোড় নিয়েছিল অন্য দিকে। গল্পের নতুন স্বাদ আগ্রহও ধরে রেখেছে দর্শকের। সেই ছবিই দেখা গেল টিআরপি-তে। তারা পেয়েছে ৫.০। রয়েছে তৃতীয় স্থানে।
পুরনোদের ভিড়ে দ্রুতগতিতে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে প্রস্তুত ‘অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা’। এই সপ্তাহেও তারা নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে চতুর্থ স্থানে। তারা পেয়েছে ৪.৯। আর পঞ্চমে রয়েছে ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৪.৭।