গত মাসে মুক্তি পেয়েছে সইফ আলি খানের ছবি ‘কর্তব্য’। ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। তবে মুক্তির পর দর্শকের নজর কেড়েছেন অভিনেতা যুধবীর অহলায়ত। তিনি ছবিতে কিশোর চরিত্র হরপালের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। এমন অল্প বয়সে এত সাবলীল অভিনয় দেখে প্রথমটায় অবাক হয় দর্শক। কিন্তু ক্রমশ বোঝা যায়, তিনি আসলে কিশোর নন। আসলে যুধবীর একজন ৩৩ বছর বয়সি যুবক। এমনকি, সইফও নাকি জানতেন না অভিনেতার আসল বয়স। তাঁর সঙ্গে বাচ্চাদের মতোই আচরণ করতেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সইফের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। ছবিমুক্তির পরে ভালবাসা পাচ্ছেন, তার জন্য খুশি যুধবীর। তিনি বলেন, “খুব ভাল লাগছে। অনেকেই আমাকে জানিয়েছেন, আমার কাজ তাঁদের ভাল লেগেছে। এই দিনটার অপেক্ষাতেই ছিলাম।”
যুধবীর আরও জানান, ‘বাচ্চাদের মতো’ চেহারার জন্য অনেক মহিলা ভক্তও তাঁর প্রশংসা করছেন। অভিনেতার কথায়, “অনেকেই আমাকে বলেছেন যে, আমাকে বাচ্চাদের মতো ‘কিউট’ দেখতে লাগে।” সইফ সম্পর্কে যুধবীর বলেন, “একটি সাক্ষাৎকারে সইফ স্যারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ছবিতে তাঁর প্রিয় অংশ কোনটি। সেখানে তিনি আমার প্রশংসা করে বলেন, ‘হরপাল খুব ভাল। আমি ওকে ১৬ বছরের ছেলেই ভাবতাম। তেমনই আচরণ করতাম ওর সঙ্গে।’ পরে পরিচালক পুলকিত স্যার তাঁকে জানান যে, আমার আসল বয়স ৩৩ বছর। সেটা শুনে তিনি অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। সইফ স্যারের ওই মন্তব্য ভাইরাল হয়ে যায়।”
যুধবীর আরও বলেন, “শুটিংয়ের শুরুতে প্রায় সবাই আমাকে শিশুশিল্পী ভেবেছিলেন। পরে পুলকিত স্যার সবাইকে জানান যে, আমার বয়স আসলে ৩৩ বছর। এর পর সঞ্জয় মিশ্র স্যার এবং অন্যরা আমাকে আর শিশুশিল্পী হিসাবে নয়, একজন প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেতা হিসাবেই দেখতে শুরু করেন।”
‘কর্তব্য’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া নিয়েও সাক্ষাৎকারে কথা বলেন যুধবীর। তিনি বলেন, “এটা ছিল রেড চিলিজ়-এর সঙ্গে আমার দ্বিতীয় কাজ। অভিজ্ঞতাটা দারুণ ছিল। মুকেশ ছাবড়ার টিম থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাঁরা জানিয়েছিলেন, ছবির জন্য কাস্টিং চলছে এবং হরপাল চরিত্রের জন্য আমার অডিশন নিতে চান। আমি অডিশন দিই। তাঁরা জানান, আমার অভিনয় ভাল হয়েছে। আমারও কোথাও একটা মনে হয়েছিল, এই ছবিটা আমি করব। এক সপ্তাহ পর রেড চিলিজ় থেকে ফোন আসে এবং জানানো হয় যে, চরিত্রটি আমিই করছি।”