খাবার হজমের পর উপজাত হিসাবে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। সাধারণ অবস্থায় কিডনি এই বর্জ্যটুকু ছেঁকে প্রস্রাবের সঙ্গে বার করে দেয়। সমস্যা হয় তখনই, যখন রক্তে এর পরিমাণ বেড়ে যায়। এই বাড়তি অ্যাসিড তখন স্ফটিকের মতো অস্থিসন্ধিতে জমা হতে শুরু করে, যা থেকে অসহ্য ব্যথা, ফোলা ভাব বা গাউটের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এই ঝক্কি এড়াতে কেবল খাদ্যাভ্যাস বদলালেই চলবে না, জীবনযাত্রায় আনতে হবে সামান্য পরিবর্তন। শরীর থেকে এই বাড়তি বিষ ধুয়ে ফেলতে জলপানের কোনও বিকল্প নেই। তবে জলের পাশাপাশি নিয়মিত কিছু ঘরোয়া পানীয় পান করলে শরীরকে ভিতর থেকে ডিটক্স করা অনেক সহজ হয়ে যায়। ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রেখে আপনাকে ঝরঝরে রাখতে সাহায্য করবে, এমন ৬টি পানীয়ের খোঁজ দেওয়া হল—
ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমানোর উপায়। ছবি: সংগৃহীত
১. ডাবের জল
ডাবের জল পান করুন। এতে শরীরে প্রয়োজনীয় জলের ঘাটতি মেটে এবং কিডনি ভাল ভাবে কাজ করে। এটি অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বার করে দিতে সাহায্য করে।
২. দইয়ের ছাস
দইকে ঘোল বানানোর পরে অবশিষ্ট পাতলা জল কিডনি থেকে ইউরিক অ্যাসিড বার করতে সাহায্য করে।
দইয়ের ছাস। ছবি: সংগৃহীত
৩. আমলকির রস
আমলকি রস ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এই রস নিয়মিত পান করলে শরীরের মধ্যে জমে থাকা ইউরিক অ্যাসিড ধীরে ধীরে কমতে পারে।
৪. শসার জল
শসায় প্রচুর পরিমাণে জল থাকে। অল্প জল দিয়ে শসা ব্লেন্ড করে খাওয়া যায়। কম পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার বলে এটি ইউরিক অ্যাসিড কিডনি দিয়ে বার হওয়ার পথ করে দেয়।
৫. আদা চা
আদায় থাকা প্রদাহনাশী উপাদান রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ইউরিক অ্যাসিডের স্ফটিক ভাঙতে সাহায্য করে, যা গাঁটের ব্যথা ও ফোলা ভাব কমায়।