Advertisement
E-Paper

‘ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ হিপ’ রোগে আক্রান্ত বরুণ-কন্যা! কী এই সমস্যা, কাদের ঝুঁকি বেশি?

বরুণ ধবনের কন্যা ছোট্ট লারা ডিডিএইচ রোগে আক্রান্ত, যার পুরো নাম ‘ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ হিপ’। বরুণ জানান, এই রোগের কারণে তাঁর মেয়ের কোমরের দিকের অংশ বেরিয়ে আসে। তাতে একটা পা লম্বা হয়ে যায়। কেন হয় এই রোগ?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১৬:০৪
ডিডিএইচ কাদের হয়?

ডিডিএইচ কাদের হয়? ছবি: সংগৃহীত।

সম্প্রতি এক মাত্র কন্যাসন্তান লারার শারীরিক অবস্থা নিয়ে মুখ খেলেছেন অভিনেতা বরুণ ধবন। ছোট্ট লারা ডিডিএইচ রোগে আক্রান্ত, যার পুরো নাম ‘ডেভেলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ হিপ’। বরুণ জানান, এই রোগের কারণে তাঁর মেয়ের কোমরের দিকের অংশ বেরিয়ে আসে। তাতে একটা পা লম্বা হয়ে যায়। যার ফলে হাঁটা-চলায় অসুবিধা হয়। এই ধরনের রোগের ফলে খুব ছোট বয়সেই বাতের সমস্যা দেখা যায়।

ডিডিএইচ কেন হয়?

ডেভলপমেন্টাল ডিসপ্লেসিয়া অফ হিপ হল এমন একটি অবস্থা যেখানে নিতম্বের বল-সকেট সন্ধিস্থলটি সঠিক ভাবে গঠিত হয় না। এ ক্ষেত্রে ফিমোরাল হেড শ্রোণিদেশে শক্ত ভাবে আটকে থাকতে পারে না, যার ফলে হাঁটতে-চলতে অসুবিধা হয় এবং ভবিষ্যতে এই ফিমোরাল হেডের স্থানচ্যুতিও হতে পারে। ডিডিএইচ একটি বা উভয় নিতম্বকে প্রভাবিত করতে পারে, যদিও এতে বাম নিতম্বই বেশি আক্রান্ত হয়। বিশেষ করে কন্যাসন্তানদের ক্ষেত্রেই এই সমস্যা বেশি লক্ষ করা যায়। এ ছাড়াও প্রথম সন্তানদের ক্ষেত্রে কিংবা পরিবারে নিতম্বের সমস্যার ইতিহাস থাকলে অথবা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার ২৮ সপ্তাহের পরে ব্রিচ পজিশনে (মাথা উপরের দিকে থাকা) শিশুর জন্ম হলে ডিডিএইচ-এর ঝুঁকি বাড়ে।

ডিডিএইচ-এর কারণে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যেমন— খুঁড়িয়ে চলা, পায়ের ব্যথা এবং কোমর বা পিঠের অস্টিয়ো আর্থ্রাইটিস হতে পারে। প্রাথমিক স্তরে রোগ নির্ণয় সম্ভব হলে সময়মতো চিকিৎসা অস্ত্রোপচারের সুযোগ থাকে, ফলে স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশের সম্ভাবনা বাড়ে।

গর্ভে থাকাকালীন নিতম্বের অস্বাভাবিক বিকাশের কারণে ডিডিএইচ হতে পারে, যার ফলে ফিমার (ঊরুর হাড়) এবং অ্যাসিটাবুলাম (হাঁটুর হাড়) স্থানচ্যুত হয়। এর লক্ষণগুলির মধ্যে থাকতে পারে এক দিকের পা ছোট হওয়া, উরু বা নিতম্বের চামড়ার ভাঁজ অসমান হওয়া, নিতম্বের নড়াচড়ায় সমস্যা হওয়া অথবা হাঁটা শুরু করার পর হাঁটার ভঙ্গিতে অসামঞ্জস্যতা। এই লক্ষণগুলি সম্পর্কে সচেতনতা থাকলে অভিভাবকরা দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

বরুণের কথায়, ‘‘এই রোগ যাদের থাকে, তারা স্লিপ ডিস্কের সমস্যায় ভোগে। পা বেঁকে যায়। আমাদের দেশে সব জায়গায় এর চিকিৎসা হয় না। কিন্তু যে সব চিকিৎসক আমার মেয়েকে দেখছেন, তাঁরা খুবই ভাল। মেয়েকে কোনও ধরনের অস্ত্রোপচার করাতে হচ্ছে না। কিন্তু এই ধরনের রোগে আক্রান্ত শিশুদের ‘স্পাইকা কাস্ট’ পরাতে হয়। প্রায় আড়াই মাস সর্ব ক্ষণ এটা আমার মেয়েকে পরে থাকতে হয়েছে। সেটা খুবই কষ্টদায়ক। ওকে অচৈতন্য করে এটা পরানো হত। তবে এখন আর ওকে এটা পরতে হচ্ছে না।’’

Varun Dhawan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy