দেখতে মশলা পাঁপড়ের মতো, তবে পাঁপড় নয়। আকারে বড়, কিঞ্চিৎ পুরুও, তবে মুচমুচে। গুজরাতে জনপ্রিয় খাবারটির নাম খাখরা। ওজন কমানোর জন্য ডায়েটে জুড়তে পারেন এমন খাবারও।
যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের খোঁজ থাকে এমন খাবারের, যা মুখরোচক হলেও বেশি ক্যালোরির নয়। আবার তেলে ভাজাও হবে না। পুষ্টিকর স্ন্যাক্সের তালিকায় মাখানা, ছোলা, বাদাম চাট জনপ্রিয়। তবে স্বাদ বদলে খেতে পারেন খাখরাও।
পুষ্টিবিদ রূপালি দত্ত জানাচ্ছেন, খাখরা তেলে ভাজা নয়, ফলে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এতে ব্যবহার হয় গমের আটা, যাতে রয়েছে ফাইবার, মেশানো হয় বেসন, ফলে মেলে প্রোটিনও। তাই খাবারটি অনায়াসেই ডায়েটে জোড়া যায়। যখন মুচমুচে কিছু খেতে ইচ্ছা করছে, তখন একটি খাখরা খেয়ে নিলে খিদে মিটবে, আবার জিভও তুষ্ট হবে।
আরও পড়ুন:
খাখরা তৈরি করা হয়, আটা এবং বেসন মিশিয়ে। মুচমুচে করতে ব্যবহার হয় ময়ান। মশলা খাখরায় জিরে, ধনে বা ঘরোয়া মশলা যোগ করা হয়। আর থাকে কসৌরি মেথি। আটার মতো মেখে এটি পাতলা রুটির মতো বেলে নিতে হয়। তবে তেলে নয়, খাখরা তৈরি হয় সেই রুটি সেঁকে।
মেদ ঝরাতে গেলে মুখরোচক খাবারের তালিকায় রাখা যায় সেঁকা পাঁপড়ও। বেসন দিয়ে তৈরি হয় পাঁপড়। মশলা পাঁপড়ে জিরে, গোলমরিচের ব্যবহার হয়, যা পেটের পক্ষে ভাল। ক্যালোরির হিসাবে অনায়াসেই রাখা যায় পাঁপড়ও।
ওজন ঝরানোর জন্য কোনটি ভাল
লক্ষ্য যদি মেদ গলানো হয় পাঁপড় আর খাখরার মধ্যে খাখরাকেই এগিয়ে রাখা যায়। কারণ এতে ডায়েটরি ফাইবারের মাত্রা বেশি। ফাইবার পেট ভরাতে সাহায্য করে। অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভাল। বেসন মেশানো হয় বলে কিছুটা প্রোটিনও জুড়ে যায় এতে।
পাঁপড় খাখরার চেয়ে হালকা, মুচমুচে বেশি। তবে এতে ফাইবার থাকে না। ফলে পাঁপড় খেলে খিদে মেটার কথা নয়।