খেতে ইচ্ছা হয়, কিন্তু ক্যালোরির কথা ভাবলেই পিছিয়ে আসতে হয়। ডায়েটের খাটাখাটনি নষ্ট হতে পারে পাপড়ি দেওয়া দই-চাট খেলে। ছাঁকা তেলে ভাজা পাপড়িতে ক্যালোরি অনেকটাই বেশি। ১০০-১২০ গ্রাম পাপড়ি চাটে ক্যালোরির মাত্রা ১৫০-২৫০ পর্যন্ত হতে পারে। পুরোটাই নির্ভর করছে সেটি বানানোর প্রক্রিয়ার উপরে।
তবে যদি পাপড়িটি বাদ দিতে পারেন, বদলাতে পারেন উপকরণ, কমতে পারে ক্যালোরি। কী ভাবে পাপড়ি বাদ দিয়ে, স্বাদের সঙ্গে আপস না করেই দই চাট বানাতে পারেন?
মাল্টিগ্রেন ব্রেড: পাপড়ির বদলে বেছে নিন মাল্টিগ্রেন ব্রেড। এই ধরনের পাউরুটি তৈরি হয় আটা দিয়ে, নানা ধরনের দানা শস্যও থাকে। একটি পাউরুটির চারটি ধার বাদ দিয়ে ছোট টুকরো করে কেটে নিন। অল্প তেলে সেটি উল্টে-পাল্টে সেঁকে নিন, যতক্ষণ না মুচমুচে হয়। এয়ারফ্রায়ারে এই কাজ নামমাত্র তেলে হতে পারে।
মাখানা: শুকনো কড়াইয়ে মাখানা ভেজে নিন। মাখানা ফাইবার এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণে ভরপুর। পাপড়ির মুচমুচে ভাব আসবে পাউরুটির টুকরো এবং মাখানার ব্যবহারে।
দই: লো ফ্যাটের দই ব্যবহার করুন। দই ফেটানোর সময় একটু জল মিশিয়ে নিন। এতেও ক্যালোরির মাত্রা কমানো যাবে।
সব্জি: পেঁয়াজ, শসা, বেদানা, কাঁচালঙ্কা রাখুন মেশানোর জন্য। বাদ দিতে পারেন সেদ্ধ করা আলু। প্রচুর সব্জি থাকলে খাবারের পুষ্টিগুণ বাড়বে, তবে এগুলির ক্যালোরি বেশি নয় বলে ক্যালোরি বশে রাখা সম্ভব হবে।
ঝুরিভাজার বদলে মটর, ছোলা: ঝুরিভাজায় ক্যালোরি অনেক আবার তা স্বাস্থ্যকর নয়। কাবলি ছোলা নুন দিয়ে সেদ্ধ করে এয়ারফ্রায়ারে ভেজে নিন। বেশি তেল ছাড়াই মুচমুচে হবে। মশলা মাখিয়ে নিন কাবলি ছোলা মুচমুচে করার সময়। দিতে পারেন বালিতে ভাজা মটরও। স্বাদ ভিন্ন লাগলেও, খেতে মন্দ হবে না।
মশলা-চাটনি: ভাজা মশলা, ধনেপাতার চাটনি দিন। ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে চিনির বদলে খেজুর–তেঁতুলের চাটনি বানান।