Advertisement
E-Paper

৫ পানীয়: নিয়মিত চুমুক দিলেই ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল জব্দ হবে

অনেকের ধারণা, চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। সব ক্ষেত্রে এ ধারণা ঠিক নয়। আসলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়বে কি না, তা নির্ভর করে প্রত্যেকের শরীরের বিপাক হারের উপর।

আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৩ ১০:৪৯
Image of Healthy Drinks

— প্রতীকী চিত্র।

কোলেস্টেরলের সমস্যা এখন প্রায় ঘরে ঘরে। ট্রু কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, এইচডিএল, এলডিএল— এই চারটি মিলেই মূলত তৈরি হয় কোলেস্টেরলের পরিবার। অনেকের ধারণা, চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। সব ক্ষেত্রে এ ধারণা ঠিক নয়। আসলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়বে কি না, তা নির্ভর করে প্রত্যেকের বিপাক হারের উপর। কারও যদি ডায়াবিটিস থাকে, তা হলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে তা রক্তবাহের মধ্যে সঞ্চিত হয়। রক্তবাহকে সরু ও শক্ত করে ফেলে। রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। ফলে রক্তচাপ বাড়ে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চর্বিজাতীয় খাবার, চিপ্‌স, ভাজাভুজি, শর্করাযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলবেন তো বটেই, সেই সঙ্গে রোজের খাদ্যতালিকায় কিছু পানীয় রাখলেও এই রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জেনে নিন রোজের ডায়েটে কোন ৫ পানীয় রাখলে জব্দ হবে কোলেস্টেরল।

১) গ্রিন টি

অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি-তে থাকা ‘ক্যাটাচিন’ শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ১২ সপ্তাহ ধরে নিয়মিত গ্রিন টি খেলে শরীরে লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা প্রায় ১৬ শতাংশ কমে যায়।

২) সয়াবিনের দুধ

এই দুধে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ খুবই কম। একেবারে নেই বললেই চলে। দীর্ঘ দিন ধরে উচ্চ কোলস্টেরলের সমস্যায় ভুগে থাকলে শরীর সুস্থ রাখতে রোজের খাদ্যতালিকায় অনায়াসে রাখতে পারেন সয়া দুধ। শুধু কোলেস্টেরল নয়, হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে এই পানীয়।

৩) টোম্যাটোর রস

টম্যাটোতে উপস্থিত লাইকোপিন শরীরে লিপিডের মাত্রা বাড়াতে এবং লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এতে নায়াসিন ও কোলেস্টেরল কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ফাইবারও থাকে। রোজ আধ কাপ করে টোম্যাটোর রস খেতে পারলে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

Image of Tomato Juice

— প্রতীকী চিত্র।

৪) ওটসের দুধ

অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ গ্রিন টি-তে থাকা ‘ক্যাটাচিন’ শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ১২ সপ্তাহ ধরে নিয়মিত গ্রিন টি খেলে শরীরে লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা প্রায় ১৬ শতাংশ কমে যায়।

৫) রেড ওয়াইন

কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে অন্যান্য অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। তবে পরিমিত পরিমাণে রেড ওয়াইন খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বিপদসীমার নীচে থাকে। এতে অনেক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। নিয়ম মেনে খাওয়া গেলে হৃদ্‌যন্ত্রের যত্ন নেয় এই পানীয়।

Cholesterol Tomato Juice Health Drink
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy