Advertisement
E-Paper

ওজন স্বাস্থ্যকর ভাবে কমছে নাকি রোগা হতে গিয়ে ক্ষতি করে ফেলছেন নিজের, ৫ লক্ষণ মিলিয়ে নিন

শরীরে জলের মাত্রা কমে গেলেও কমতে পারে ওজন। পেশির ক্ষয় থেকে ওজন কমলে তাতে শরীরে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হবে বেশি। তাই রোগা হওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনও ভুল আছে কি না জানতে কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখুন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬ ২১:০৪

ছবি: সংগৃহীত।

ওজন কমানোর প্রক্রিয়ায় অনেকেরই নজর পাখির চোখের মতো আটকে থাকে ওজন মাপার যন্ত্রের উপর। কিন্তু মেশিনে ১ কেজি কমেছে মানেই যে শরীর থেকে চর্বি ঝড়েছে তা নয়। অনেক সময় পেশির ক্ষয়ের জন্যও ওজন কম দেখায়। শরীরে জলের মাত্রা কমে গেলেও কমতে পারে ওজন। পেশির ক্ষয় থেকে ওজন কমলে তাতে শরীরে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হবে বেশি। তাই রোগা হওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনও ভুল আছে কি না জানতে কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখুন।

১. সারাক্ষণ ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করা

সঠিক ডায়েটে আপনার শরীরে এনার্জি বৃদ্ধির কথা। যদি দেখেন সারাক্ষণ ঝিমিয়ে থাকছেন, সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হাঁপিয়ে যাচ্ছেন বা মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকছে, তবে বুঝবেন শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি পাচ্ছে না। এটি অতিরিক্ত ক্যালরি ঘাটতির লক্ষণ।

২. শুধু ওজন কমছে, ইঞ্চিতে নয়

ওজন মাপার মেশিনে হয়তো ৫ কেজি কম দেখাচ্ছে, কিন্তু পুরনো জামাকাপড় আগের মতোই টাইট লাগছে। এর অর্থ হলো শরীর থেকে চর্বি নয়, বরং পেশি এবং জল কমছে। স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে ওজন কমলে চর্বি কমবে এবং পেশি গঠন ভাল হবে।

৩. চুল পড়া এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য হারানো

ভুল পদ্ধতিতে ডায়েট করলে শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের অভাব ঘটে। এর প্রথম প্রভাব পড়ে আপনার চুলে ও ত্বকে। যদি দেখেন অতিরিক্ত চুল পড়ছে বা মুখ ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে, তবে বুঝবেন ডায়েট চার্টে গলদ আছে।

৪. প্রচণ্ড খিদে পাওয়া এবং মিষ্টির প্রতি আসক্তি

সঠিক ডায়েট পেট ভরিয়ে রাখবে এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখবে। কিন্তু যদি সারাক্ষণ তীব্র খিদে পায় বা বারবার মিষ্টি ও ভাজাভুজি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগে, তবে বুঝবেন আপনার খাবারে প্রোটিন বা ফাইবারের ভারসাম্য নেই।

৫. ঘুমের সমস্যা ও হজমের গোলমাল

ওজন কমানোর প্রক্রিয়াটি সঠিক হলে ঘুমও গভীর হওয়ার কথা। যদি রাতে ঘুম না আসে কিংবা সারাক্ষণ গ্যাস, অ্যাসিডিটি বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তবে বুঝতে হবে খাদ্যতালিকায় বদল আনা জরুরি।

কী করা উচিত?

ব্যালেন্স ডায়েট: কার্বোহাইড্রেট পুরোপুরি বাদ না দিয়ে জটিল কার্ব (ওটস, লাল চাল) এবং পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফ্যাট রাখুন।

ব্যায়াম: শুধু কার্ডিও নয়, কিছু ফ্রি-হ্যান্ড বা স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করুন যাতে পেশি ঠিক থাকে।

ধৈর্য: মাসে ২-৪ কেজি ওজন কমানো সুস্থ লক্ষণ। এর চেয়ে বেশি দ্রুত কমানোর চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy