মাঝে মধ্যেই গ্যাস-অম্বলে ভোগার প্রবণতা রয়েছে? কিছু খেলেই অম্বল, না খেলেও অম্বল। দীর্ঘ দিন ধরে এই সমস্যার কবলে পড়েছেন। গ্যাসট্রাইটিসের রোগে নাজেহাল পরিস্থিতি। কেবল মুঠো মুঠো অ্যান্টাসিড খেয়ে রেহাই পাওয়ার চেষ্টা। কিন্তু তাতে হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এমস প্রশিক্ষিত গুরুগ্রাম নিবাসী স্নায়ুরোগ চিকিৎসক প্রিয়ঙ্কা শেহরাওয়াত সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো করে সে বিষয়ে সতর্ক করলেন।
চিকিৎসক বলছেন, তিনি তাঁর রোগীদেরও বার বার এই সতর্কবার্তা শোনানোর চেষ্টা করেন। তাঁর মতে, দীর্ঘ দিন ধরে যদি কেউ গ্যাসট্রাইটিসে ভোগেন, অর্থাৎ গ্যাস, অম্বল, বুকজ্বালা, বদহজমের সমস্যা থেকে থাকে, তা হলে পেটে এইচ পাইলোরি নামক ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বুকজ্বালা, অম্বলকে উপেক্ষা করবেন না। ছবি: সংগৃহীত।
এইচ পাইলোরি (হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি) এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়া, যা পাকস্থলীর আস্তরণে সংক্রমণ ঘটায় এবং পেপটিক আলসার, গ্যাসট্রাইটিস বা পাকস্থলীর প্রদাহ, এমনকি পাকস্থলীর ক্যানসারের প্রধান কারণ হতে পারে। এটি পাকস্থলীর অ্যাসিড থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। পাকস্থলীর ভিতরের প্রতিরক্ষামূলক স্তরকে দুর্বল করে আলসার তৈরি করে।
এই ব্যাক্টেরিয়া পেটে বাসা বেঁধেছে কি না, তা শনাক্ত করার জন্য কী কী পরীক্ষা করাবেন, সে বিষয়েও জানালেন চিকিৎসক। ‘স্টুল এইচ পাইলোরি এজি’, ‘ইউরিয়া ব্রিদ টেস্ট’, ‘এন্ডোস্কোপি’, ‘বায়োপ্সি’ করানোর পরামর্শ দিচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা। তাঁর কথায়, ‘‘কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমেই এইচ পাইলোরির সম্পর্কে জানা যাবে। সময় মতো শনাক্ত করা গেলে মাত্র দু’সপ্তাহেই সেটি সারানো সম্ভব।’’