Advertisement
E-Paper

‘ডিজিটাল উপোস’ শুরু করেছেন কর্ণ! ফোন আর সমাজমাধ্যম ছাড়া কী ভাবে কাটাতে পারেন সারা দিন

মনে মনে ভেবে ফেললেন যে সপ্তাহখানেক ফোন হাতেই নেবেন না, এটা ততটাও সহজ কাজ নয়। কর্ণ জোহার যেমন ফোনের ব্যবহার সীমিত করেই ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ করছেন। আর কী কী ভাবে ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ করতে পারেন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:১১
ফোনের কাছে থেকেও যখন দূরে কর্ণ জোহর।

ফোনের কাছে থেকেও যখন দূরে কর্ণ জোহর। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

চিত্র পরিচালক কর্ণ জোহারের একটি পোস্ট ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে। কর্ণ লিখেছেন, “এক সপ্তাহের ডিজিটাল ডিটক্স! ফোন স্ক্রল করব না। ডিএম-ও বন্ধ রাখব। কোনও পোস্ট করব না। এই ব্রহ্মাণ্ড যেন আমাকে একটু শক্তি দেয় এ সবের থেকে দূরে থাকার।” কর্ণ বিনোদন জগতের মানুষ। সেখানে কখন কোন ঘটনা ঘটেছে তা জানার জন্য তাঁকে প্রতিনিয়ত সমাজমাধ্যমে নজর রাখতে হয়। বলিপাড়ার কোনও খবর কর্ণের কাছে থাকবে না, তা হতেই পারে না, এমনটাই বলেন তাঁর বন্ধুবান্ধবেরা। সেই কর্ণই ডিজিটাল দুনিয়া থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছেন, তাও আবার এক সপ্তাহের জন্য।

ডিজিটাল দুনিয়ার কবলে পড়ার ক্ষেত্রে বয়স একেবারেই বাধা নয়। বাড়ির খুদে হোক কিংবা প্রৌঢ় সদস্য, এখন মোবাইলের নেশায় বুঁদ হচ্ছেন সকলেই। কেউ সমাজমাধ্যমেই দিনের বেশির ভাগ সময়টা কাটিয়ে দিচ্ছেন, কেউ আবার ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মেই সারা ক্ষণ কিছু না কিছু দেখে চলেছেন। এতে পড়াশোনার যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনই আবার কাজের প্রতিও মনোযোগ কমছে। কাছের সম্পর্কগুলিও ক্রমশ দূরে চলে যাচ্ছে এই কারণে। ডিজিটাল দুনিয়া কেড়ে নিচ্ছে মুখোমুখি আলাপ, আড্ডার অবসর। সতর্ক না হলেই কিন্তু বিপদ! শরীর ও মনের চাই ‘ডিজিটাল ডিটক্স’। কর্ণ বুঝেছেন সেই কথা। তবে তিনি তাঁর পোস্টে এও বুঝিয়ে দিয়েছেন যে এই কাজটি করা মোটেও সহজ নয়। মনে মনে ভেবে ফেললেন যে সপ্তাহখানেক ফোন হাতেই নেবেন না, এটা ততটাও সহজ কাজ নয়। কর্ণ যেমন ফোনের ব্যবহার সীমিত করেই ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ করছেন। আর কী কী ভাবে ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ করতে পারেন?

১) কোনও একটি ছুটির দিন বেছে নিয়ে সকাল ছ’টা থেকে বিকেল ছ’টা অবধি ফোনটি বন্ধ করে রাখুন। এই সময়টায় ল্যাপটপ, টিভির ব্যবহারও করবেন না। ওই সময় করার জন্য কিছু নন-ডিজিটাল কাজকর্ম আগে থেকেই ভেবে রাখুন। এই সময়টা বই পড়া, গানবাজনা করা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো কাজের জন্য বরাদ্দ করে রাখতে পারেন। সকালের শুরুটায় একটু অস্বস্তি হতে পারে, তবে বেলা যত বাড়বে ততই মনমেজাজ ভাল হবে। একটা দিন দিয়েই শুরু হোক ডিটক্সিফিকেশনের যাত্রাপথ।

২) শীতকালে পিকনিক করা যেতেই পারে। সে ক্ষেত্রে পিকনিকে যান ফোন ছাড়া। সারা দিন পরিবার কিংবা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সময় কাটান, খেলাধুলা করুন, রান্না করুন, খাওয়াদাওয়া করুন। পিকনিকে গিয়ে ছবি না হয়ে না-ই তুললেন, তাতেও পরে আফসোস হবে না। ডিজিটাল দুনিয়া নয়, বাস্তবটা উপভোগ করুন।

৩) হাতে স্মার্টফোন থাকলে কিন্তু ‘ডিটিটাল ডিটক্স’ সম্ভব নয়। তবে এ কথাও ঠিক ফোন ছাড়া এখন একটা দিনও কাটানো মুশকিল। সে ক্ষেত্রে নিজের সঙ্গে একটা সাধারণ ফোন রাখুন, যে ফোনে কোনও রকম অ্যাপ চালানো সম্ভব নয়, ছবি তোলা সম্ভব নয়, বাহারি গেমও ডাউনলোড করা সম্ভব নয়। কেবল জরুরি ফোন এলেই কথা বলা যাবে। সপ্তাহে ২-৩ দিন স্মার্টফোন ছাড়া সাধারণ ফোন নিয়েই কাটান।

Digital Detoxification
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy