Advertisement
E-Paper

নীরব ঘাতকের মতো শরীরে বাসা বাঁধতে পারে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার! ঝুঁকি কমানোর জন্য ৫ পন্থা মানুন

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের লক্ষণ শুরুর দিকে সাধারণত খুব স্পষ্ট হয় না। ফলে রোগটি অনেক ক্ষেত্রে বেশ দেরিতে শনাক্ত হয়। তবে যাপনের কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে এই রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১৬:০৬
অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার কমতে পারে যাপনের ৫ পরিবর্তনে।

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার কমতে পারে যাপনের ৫ পরিবর্তনে। ছবি: সংগৃহীত।

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার এমন এক ধরনের ক্যানসার, যা অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে না। কারণ, সাধারণত শুরুতে এর লক্ষণ খুব স্পষ্ট হয় না। ফলে রোগটি অনেক ক্ষেত্রে বেশ দেরিতে শনাক্ত হয়। যদিও শতভাগ প্রতিরোধের কোনও উপায় নেই, তবু চিকিৎসকেরা বলছেন, যাপনের কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে এই রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। সম্প্রতি এমস প্রশিক্ষিত ক্যালিফোর্নিয়া নিবাসী গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট সৌরভ শেট্টী এমনই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন।

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার।

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার। ছবি: সংগৃহীত

কী ভাবে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবেন?

১. ধুমপান ত্যাগ: ধুমপানের মাধ্যমে শরীরে নিকোটিন যায়। এর ফলে শরীরে একাধিক জটিল রোগ বাসা বাঁধতে পারে। অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান বন্ধ করতেই হবে। ধূমপান অগ্ন্যাশয়ের কোষে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করতে পারে এবং ক্যানসারের সম্ভাবনা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। শুধু সিগারেট নয়, তামাকজাত অন্যান্য পণ্যও সমান ক্ষতিকর। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই অভ্যাস ত্যাগ করা ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

২. রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: টাইপ-২ ডায়াবিটিস এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই গবেষণা চলছে। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘ দিন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবিটিস অগ্ন্যাশয়ের উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে। তাই রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বা কম থাকলে নিয়মিত পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা এবং খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।

৩. মদ্যপান কমানো: মদ্যপান কমানো মানে কেবল ৪ গ্লাস থেকে ২ গ্লাসে নামিয়ে আনা নয়। ন্যূনতম পরিমাণে খেতে হবে। তবে এই অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করতে পারলেই ভাল। একনাগাড়ে অ্যালকোহল সেবনের ফলে বার বার অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহের সমস্যা দেখা দিতে পারে, আর দীর্ঘ দিন ধরে প্যানক্রিয়াটাইটিস হয়ে থাকলে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৪. পরিবারের ইতিহাস জানা: এই ক্যানসারের ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা অনেকাংশে নির্ভর করে পরিবারের উপর। পরিবারে এর আগে কারও অগ্ন্যাশয়ে ক্যানসার ছিল কি না, সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভাল। তা হলে সতর্ক হওয়া যায়, সময়মতো পরীক্ষাও করানো যায়। অনেকেই তা করেন না বলে চিকিৎসায় দেরি হয়ে যায়।

৫. লক্ষণের দিকে নজর: এই ধরনের রোগের কিছু অস্পষ্ট বা সাধারণ লক্ষণ দেখা যায় যা, সেগুলি প্রায়ই উপেক্ষা করেন অনেকে। কিন্তু নতুন করে পিঠে ব্যথা, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, ৫০ বছর বয়সের পর নতুন করে ডায়াবিটিস হওয়া— এগুলি অগ্ন্যাশয়ের রোগের সতর্কবার্তা হতে পারে। তাই গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

Pancreatic Cancer Cancer Risk
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy