Advertisement
E-Paper

অফিসের চাপ বাড়ি বয়ে আনেন? উদ্বেগ কমাতে ঘরে পা রাখার আগে ছোট্ট কাজে ফুরফুরে হবে মন

অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের স্বামী, হার্টের শল্যচিকিৎসক শ্রীরাম নেনের পরামর্শ মেনে মাত্র এক মিনিটের কাজ সেরে নিতে পারেন। বাড়িতে পা রাখার আগে দরজায় দাঁড়়িয়ে অনুশীলন করতে হবে। আর তাতেই মন অনেকটা হালকা হয়ে যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের পরিবেশও সুস্থ থাকতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬ ১৯:৫৫
মাত্র এক মিনিটেই পাল্টে যাবে দিনটা।

মাত্র এক মিনিটেই পাল্টে যাবে দিনটা। ছবি: সংগৃহীত।

অফিসে ৮-১০ ঘণ্টা কাটানোর পর অনেকেই বাড়ি ফেরেন ক্লান্ত, বিরক্ত বা মানসিক চাপে জর্জরিত হয়ে। তাতে এক দিকে যেমন তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে, অন্য দিকে পরিবারের সকলের মধ্যে সেই চাপ সঞ্চারিত হয়। অফিসের সেই চাপ অজান্তেই ঢুকে পড়ে পারিবারিক সম্পর্ক, ব্যক্তিগত সময় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের পরিসরে। ফলে বাড়ি ফিরেও মন শান্ত হয় না। তারই সমাধান বাতলে দিলেন অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের স্বামী, হার্টের শল্যচিকিৎসক শ্রীরাম নেনে।

অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের স্বামী শ্রীরাম নেনে।

অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের স্বামী শ্রীরাম নেনে। ছবি: সংগৃহীত

মাত্র এক মিনিটের কাজ। বাড়িতে পা রাখার আগে দরজায় দাঁড়়িয়ে অনুশীলন করতে হবে। আর তাতেই মন অনেকটা হালকা হয়ে যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের পরিবেশও সুস্থ থাকতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য তা অপরিহার্য বলে মনে করেন চিকিৎসক নেনে। অফিস থেকে বেরিয়ে সরাসরি বাড়ির পরিবেশে ঢুকে পড়লে মস্তিষ্কের পক্ষে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াও কঠিন হয়।

কী করতে বলছেন শ্রীরাম নেনে?

দরজা দিয়ে ঢোকার আগে এক মিনিট অপেক্ষা করে যান। বাড়িতে পা রাখার আগে নিজেকে দিন সেই সময়টুকু। চিকিৎসকের পরামর্শ, প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিন এবং ছাড়ুন। ৪ সেকেন্ড ধরে নিঃশ্বাস নিতে হবে, ৬ সেকেন্ড ধরে তা ছাড়তে হবে। এমন ঠিক ৬ বার অভ্যাস করতে হবে।

এতে কী লাভ হয়?

এতে মস্তিষ্ক বুঝতে পারে যে, একটি অধ্যায় শেষ হয়েছে এবং নতুন একটি পর্ব শুরু হতে চলেছে। চিকিৎসকের মতে, কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে একটি স্পষ্ট সীমারেখা থাকা প্রয়োজন। তার এক দিক থেকে অন্য দিকে যাওয়ার জন্যও তাই এক মুহূর্ত থামা দরকার। এতে মানসিক চাপ কমার পাশাপাশি বাকি দিনটা সুন্দর কাটে। এমনকি অনিদ্রার সমস্যা থাকলে, তা-ও অনেকটা সেরে যেতে পারে। নয়তো বাড়ি বয়ে আনা উদ্বেগের চোটে ঘুমেরও দফারফা হয়। তাই কর্মক্ষেত্র এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে এই ছোট সেতুবন্ধনই হয়তো দিনের শেষে আপনার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় স্বস্তি এনে দিতে পারে।

Work Stress Madhuri Dixit Mental Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy