হিল পরে পায়ের যন্ত্রণায় ভোগেন অনেকেই, সেই সমস্যারই সমাধান বলে দিলেন অভিনেত্রী মলাইকা অরোরা। ৫২ বছর বয়সেও ফিটনেস নিয়ে তিনি ভীষণ খুঁতখুঁতে। মলাইকার হাঁটাচলার পদ্ধতি নিয়ে সমাজমাধ্যমে মশকরা কম হয় না। তবে অভিনেত্রীর মতে, হাঁটাহাঁটি করেই পিঠের যন্ত্রণা থেকে রেহাই পেয়েছেন তিনি।
অভিনেত্রীর মতে ‘ডাক ওয়াক’ বা হাঁসের মতো করে হেঁটেই নাকি তিনি এখন বেশ ফিট। মলাইকা বলেন, ‘‘আমার চিকিৎসক আমায় বলেছেন হাঁসের মতো করে হাঁটতে। নিয়মিত দীর্ঘ সময়ের জন্য হিল পরে থাকার কারণে আমার পিঠের ব্যথা শুরু হয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে আমি রোজ সকালে আর রাতে ১০-১৫ ধাপ ‘ডাক ওয়াক’ করি। আমার শারীরিক গঠন ঠিক করতে বেশ সাহায্য করেছে এই রকম হাঁটাহাঁটি। লোকে শুনলে হাসতেই পারে, কিন্তু আমার কিছু এসে যায় না।’’
চিকিৎসকদের মতে, এই ভঙ্গিতে পায়ের পাতা সামান্য ভিতরের দিকে ঘোরানো থাকে এবং ধীরে ও সচেতন ভাবে পা ফেলা হয়। দেখতে বেশ অদ্ভুত মনে হলেও, শারীরিক গঠন ঠিক করতে এই ভঙ্গিটি বেশ উপকারী। সারা ক্ষণ হিল পরে থাকলে কিংবা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই জায়গায় বসে কাজ করলে পিঠ, কোমর আর ঘাড়ের ব্যথায় অনেকেই ভোগেন। ‘ডাক ওয়াক’ কোমর, ঊরু, হাঁটু এবং পিঠের কোর পেশিগুলিকে সক্রিয় করে, যার ফলে মেরুদণ্ডের উপরে চাপ পড়ে। সঠিক নিয়ম মেনে করলে এবং নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখলে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে ‘ডাক ওয়াক’।
‘ডাক ওয়াক’। ছবি: সংগৃহীত।
অনেকের জন্য উপকারী হলেও যাঁদের হাঁটুতে ব্যথা, লিগামেন্টে চোট লেগেছে, নিতম্বের সমস্যা বা ভারসাম্যহীনতা রয়েছে, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ব্যায়ামটি মোটেই করা উচিত নয়। ভুল পদ্ধতিতে এটি করলে অস্থিসন্ধি, বিশেষ করে হাঁটুর উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রশিক্ষকের কাছ থেকে সঠিক কায়দা জানার পরেই এই ব্যায়ামটি করতে হবে।