Advertisement
E-Paper

জাঙ্ক ফুড খেতেই শেখেননি! ৫০-এর রাজীব আজও এত ফিট কী ভাবে? নেপথ্যে শৈশবের এক বিশেষ অভ্যাস

কী ভাবে এমন অভ্যাস রপ্ত করেন ৫০ বছরের রাজীব? আসলে এর নেপথ্যে রয়েছেন অভিনেতার মা। রাজীবের কথায় জানা যায়, ছোটবেলায় তাঁর খাবারের তালিকায় ছিল অঙ্কুরিত ডাল আর আমলকি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৩০
রাজীব খন্ডেলবালের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।

রাজীব খন্ডেলবালের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। ছবি: সংগৃহীত।

টেলিভিশনের পর্দায় ফিট, গাম্ভীর্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব রাজীব খন্ডেলবালকে দেখলে মনে হতে পারে, তাঁর ফিটনেস রুটিন নিশ্চয়ই খুব জটিল! প্রচুর পরিশ্রম আর ত্যাগের ফল নিশ্চয়ই এই সুঠাম দেহ এবং সুস্থতা। কিন্তু তাঁর সুস্থ থাকার মূল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে শৈশবের খাদ্যাভ্যাসে। যা আজও তিনি ধরে রেখেছেন একই ভাবে। মুখরোচক ভাজাভুজি, ফাস্ট ফুড, রাস্তার খাবার খাওয়ার প্রতি প্রীতিই জাগেনি কখনও। ছোট থেকে জাঙ্ক ফু়ডের জন্য স্বাদকোরকই নাকি তৈরি হয়নি।

কী ভাবে এমন অভ্যাস রপ্ত করেন ৫০ বছরের রাজীব? আসলে এর নেপথ্যে রয়েছেন অভিনেতার মা। রাজীবের কথায়, ‘‘লোকে ভাবে, আমার বোধহয় সংযম ক্ষমতা দুর্দান্ত। আসলে কিন্তু তা নয়। ছোট থেকে আমার স্বাদকোরকগুলি সে ভাবে তৈরিই হয়নি কোনও দিন। জাঙ্ক ফুড দেখে আমার লোভই জাগে না। তাই আলাদা করে সংযমেরও দরকার পড়ে না। এমনিতেই খাই না আমি। আর আমি অভিনেতা বলে ফিট নই। ফিট থাকতে ভালবাসি বলে আমি ফিট।’’

রাজীবের স্বাস্থ্যকর যাপন।

রাজীবের স্বাস্থ্যকর যাপন। ছবি: সংগৃহীত

রাজীবের কথায় জানা যায়, ছোটবেলায় তাঁর খাবারের তালিকায় ছিল অঙ্কুরিত ডাল আর আমলকি। তখন হয়তো এগুলি ‘সুপারফুড’ বলে মনে হয়নি, কিন্তু এখন এই ধরনের খাবারই দীর্ঘ মেয়াদে শরীরকে ভিতর থেকে পোক্ত করে। সে কথা আজ তিনি উপলব্ধি করতে পারেন। পুষ্টিবিদদের মতে, অঙ্কুরিত ডালে থাকে প্রচুর পুষ্টি, ফাইবার আর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। এগুলি হজম ক্ষমতা বাড়ায়, শরীরে শক্তির জোগান দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। একই ভাবে আমলকি ভিটামিন সি-তে ভরপুর, যা কোষের ক্ষতি কমাতে এবং বয়সের ছাপ পড়া রোধ করতে পারে।

Advertisement

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই অভ্যাসগুলি কোনও ‘ডায়েট প্ল্যান’ থেকে তৈরি হয়নি, বরং প্রতি দিনের সাধারণ খাবার হিসাবেই পাতে থাকত তাঁর। আর এখানেই বড় শিক্ষা লুকিয়ে রয়েছে। ছোটবেলা থেকে যদি শরীর সঠিক খাবারের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়, তা হলে বড় হয়ে আলাদা করে কঠোর নিয়ম মানতে হয় না।

রাজীব এখনও খুব সাধারণ খাবারই পছন্দ করেন, ডাল, ফুলকপির তরকারি আর বাজরার রুটি। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত বা ভারী খাবারের দিকে তাঁর ঝোঁক নেই। এই ধরনের খাবার শরীরকে দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি দেয়, হঠাৎ ক্লান্তি তৈরি করে না। চিকিৎসদের মতে, শৈশবের খাবারের অভ্যাসই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যের ভিত তৈরি করে। নিয়মিত সুষম খাবার, ঘরোয়া রান্না, আর নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার অভ্যাস, এই ছোট ছোট বিষয়গুলিই পরে গিয়ে ওজন, হজম এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা নেয়।

এখন তাঁর গোয়ার বাড়িতে ৩৩ রকমের সব্জির ফলন হয়। তাই যথাসম্ভব ঘরোয়া সব্জি, ঘরোয়া খাবারই বানিয়ে খান রাজীবের পরিবারের লোকজন। তিনি মূলত নিরামিষাশী। কিন্তু মহারাষ্ট্রীয় স্ত্রীর কারণে কখনওসখনও মাছ খেতে হয়। কিন্তু মুম্বই গিয়ে কাজ করার পর থেকে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে আমিষ খাবার খেতে হয়েছে রাজীবকে।

Rajeev Khandelwal Celebrity Diet Food
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy