নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার বড় অসুখের প্রথম ধাপ। সূত্রপাত এর থেকেই হয় যা পরবর্তীতে গিয়ে লিভারের জটিল রোগ সিরোসিসের কারণ হয়ে ওঠে। লিভারে মেদ যত সহজে জমে, তার অপসারণ অত সহজ নয়। এর জন্য নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া, শরীরচর্চার প্রয়োজন হয়। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা পরবর্তীতে লিভারের ক্ষত বা লিভার সিরোসিসে গড়াতে পারে। লিভারের রোগ এখন ঘরে ঘরে। যদি দেখেন মাঝেমধ্যেই জন্ডিস ধরা পড়ছে, লিভারের অসুখ সারছে না, তা হলে কেবল ওষুধ খেলে হবে না, অভ্যাস করতে হবে সহজ কিছু যোগাসন।
পার্শ্বকোণাসন
ম্যাটের উপর দুই পায়ের মধ্যে ব্যবধান রেখে দাঁড়ান। ডান পা ৯০ ডিগ্রি কোণে মুড়ুন ও বা পাঁ আরও কিছু প্রসারিত করুন। ডান হাতটি ডান পায়ের হাঁটুর উপর রাখুন। এর পর বাঁ হাতটি মাথার উপর দিয়ে প্রসারিত করুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে এই ভঙ্গিতে ২০-৩০ সেকেন্ড থাকতে হবে। পা বদলে আবারও অভ্যাস করুন। প্রতি দিন তিন সেটে ৩০ সেকেন্ড করে অভ্যাস করলে উপকার পাবেন।
আরও পড়ুন:
আপনাসন
প্রথমে টানটান হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাত দুই পাশে থাকবে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক ভাবে নিতে হবে। শ্বাস নিতে নিতে দুই হাঁটু বুকে কাছে নিয়ে আসুন। দুই পা জোড়া করে রাখতে হবে। দুই হাত দিয়ে দুই পায়ের হাঁটু এমন ভাবে ধরে রাখতে হবে, যাতে পেটে চাপ পড়ে। আসনের ভঙ্গি হবে অনেকটা পবনমুক্তাসনের মতোই। এ বার ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে আগের অবস্থায় ফিরে যান।
ফলকাসন
ম্যাটের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। শরীর টানটান থাকবে। এ বার হাত ও কনুইয়ে ভর দিয়ে শরীরকে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন। পায়ের ভর থাকবে বুড়ো আঙুলের উপর। দু’পায়ের মধ্যে দূরত্ব কম করে নেবেন।হাঁটু আর পেটও মাটি থেকে যতটা পারবেন উপরে তুলুন। পেট ভিতর দিকে টেনে রাখতে হবে।শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ২০-৩০ সেকেন্ড ওই অবস্থানে থাকতে হবে।