প্রাতরাশে স্বাস্থ্যকর খাওয়া হলেও, দিন যত গড়ায় তত ভাজাভুজি, এটা-সেটা খাওয়ার মন হয়। বিকেল হলেই মন চায় চায়ের সঙ্গে মুখরোচক টা। আর তা যদি মুচমুচে কোনও খাবার হয়, তা হলে তো কথাই নেই।
বিকেল বা সন্ধ্যায় মুড়ি-শিঙাড়া বা চপ-মুড়ি খেতে ভাল লাগে অনেকেরই। লোভে পড়ে খাওয়াও হয়ে যায়। কিন্তু শিঙাড়া, চপ বা তেলেভাজা নিয়মিত খাওয়া ভাল নয়।তা ছাড়া, রাস্তার খাবার পোড়া তেলে ভাজা হয়, যা অস্বাস্থ্যকর।বদলে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন পনির এবং মুসুর ডালের টিক্কি।
কেন স্বাস্থ্যকর
পনিরে রয়েছে প্রোটিন। ক্যালশিয়াম থাকে প্রচুর। এ ছাড়াও মেলে কার্বোহাইড্রেট, ফোলেট, ফসফরাস ও পটাশিয়াম।পনিরে রয়েছে ‘কনজুগেটেড লিনোলিয়েক অ্যাসিড’, যা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। শরীরের জন্য ভাল।
অন্য দিকে, মুসুর ডালে মেলে প্রোটিন এবং আয়রন।পাওয়া যায় অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা পেশি গঠনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।এতে রয়েছে ডায়েটরি ফাইবার যা পেট পরিষ্কারে সহায়ক, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে।এ ছাড়াও পাওয়া যায় ভিটামিন এবং খনিজ।
টিক্কি তৈরির পন্থাও সহজ। মুসুর ডাল ধুয়ে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে জল ঝরিয়ে বেটে নিন। পনির মিহি করে নিন। বাটা মুসুর ডাল, পনির, কড়াইয়ে নেড়ে নেওয়া বেসন, পেঁয়াজ, লঙ্কা, ধনেপাতা, রসুন কুচি, স্বাদমতো নুন দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। টিক্কির আকার দিয়ে এয়ার ফ্রায়ারে উল্টে-পাল্টে সেঁকে নিন। না হলে নন স্টিক তাওয়ায় সাদা তেল বা ঘি ব্রাশ করে এটি উল্টে-পাল্টে রান্না করে নিন, যতক্ষণ না মুচমুচে হচ্ছে।
ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে এই টিক্কি খেতে দারুণ লাগবে। স্বাস্থ্যের কথা ভাবতে হলে, বাজারচলতি টম্যাটো সসে্র বদলে ঘরোয়া চাটনি বেছে নিন।
নামমাত্র তেলে তৈরি এই খাবার সুস্বাদু তো বটেই, প্রোটিনেও ভরপুর। অফিসের টিফিনেও তা নিয়ে যেতে পারেন। সন্ধ্যায় খেতে ইচ্ছা হলে গরম করে নিলেই হবে।