আনন্দ বা মনখারাপ— যে কোনও মানসিক অবস্থার সঙ্গী হতে পারে গান। মন এবং গানের যোগসূত্র ওতপ্রোত। চঞ্চল মনকে শান্ত করতে এখন ‘মিউজ়িক থেরাপি’ও জনপ্রিয়। রাস্তাঘাটে হোক বা ঘুমের আগে কানে হেডফোন গুঁজে গান শোনার অভ্যাস অনেকেরই থাকে। শুধু গান নয়, সিনেমা দেখা থেকে পডকাস্ট শোনা— সবটাই হচ্ছে হেডফোনে। দৈনন্দিন জীবনে হেডফোন এখন নিত্যসঙ্গী। তবে নিয়মিত হেডফোন ব্যবহার করার আগে জেনে নিন কী ভাবে ব্যবহার করলে শ্রবণশক্তির উপর কোনও রকম প্রভাব পড়বে না?
১) চিকিৎসকদের মতে, হেডফোন ব্যবহার করতে হলে মানতে হবে ৬০/৬০ নিয়ম। এ ক্ষেত্রে যে ডিভাইসে শুনছেন, তার আওয়াজ যেন ৬০ শতাংশের বেশি না হয়। আর সারা দিনে ৬০ মিনিটের বেশি যেন কানে হেডফোন না থাকে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গান চালিয়ে দেখে নিন কতখানি শব্দে গান চালানো হলে বাইরের চিৎকার, আওয়াজ, হর্ন এ সব শুনতে সমস্যা হচ্ছে না। তা না হলে আওয়াজ আরও কমান।
২) যে সংস্থার মোবাইল, সেই সংস্থারই ইয়ারফোন ব্যবহার করুন। প্রতিটি সংস্থা তাদের নির্দিষ্ট ফোনের জন্য নির্দিষ্ট ইয়ারফোন তৈরি করে। ফোন থেকে বার হওয়া তরঙ্গ, কম্পন ইত্যাদির উপর অঙ্ক কষেই ঠিক করা হয় ইয়ারফোনের ক্ষমতা। অনেকেই ইয়ারফোন খারাপ হলে বাজারচলতি সস্তা ইয়ারফোন কিনে ব্যবহার করেন। কিন্তু এই ধরনের যন্ত্রগুলিতে তরঙ্গ ও কম্পনের মাত্রার পরিমিতি থাকে না। যা কানের জন্য খুব ক্ষতিকর।
৩) শ্রবণশক্তি বাঁচাতে হলে হেডফোনের মডেল বাছাই করতে হবে বুঝেশুনে। চিকিৎসকদের মতে, হেডফোনের ক্ষেত্রে ওভার ইয়ার মডেল বাছাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শব্দটা চারদিকে সমান ভাবে ছড়াতে পারে। আর ইয়ার বাড মডেলের ক্ষেত্রে আওয়াজ সরাসরি কানের পর্দার ভিতরে প্রবেশ করে, ফলে পর্দার উপর চাপ পড়ে।