গ্রীষ্মকাল যতই বিরক্তিকর হোক না কেন, ফলপ্রেমীদের কাছে তা আদর্শ। আম, লিচু, কাঁঠাল যত রকম রসাল ফল হয় এখনই। তার মধ্যে স্বাদে এবং গুণের জন্য আম চিহ্নিত ‘ফলের রাজা’ হিসাবেও।
কিন্তু আম যেমন উপকারী, তেমনই এতে ক্যালোরিও যথেষ্ট। মাঝারি মাপের একটি আমে ক্যালোরির মাত্রা ১২০-১৫০ কিলোক্যালোরি। প্রাকৃতিক চিনি বা সুক্রোজের পরিমাণ ৪৫ গ্রাম। ফলে বেহিসেবি ভাবে আম খেলে যেমন রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে, তেমনই বাড়তে পারে ওজনও। সেই কারণে, যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন, তাঁর তালিকায় চট করে আম রাখেন না। তা ছাড়া, অনেকেরই ধারণা, আম খেলেই ওজন বাড়বে।
তবে পুষ্টিবিদেরা মোটেই সে কথা বলছেন না। ফিটনেস কোচ নমন সোলাঙ্কি বলছেন, আম ওজন কমানোর পথে বাধা নয়। কিন্তু কী ভাবে তা খাওয়া হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ। পাকা আম দুধে মিশিয়ে, চিনি দিয়ে শেক বানিয়ে খেলে বা অনেক চিনি দিয়ে আমপোড়ার শরবত খেলে অবশ্যই ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না। তবে ক্যালোরি মেপে এবং নিয়ম করে খেলে সেই ভয় নেই।
• আম ফল হিসাবেই খাওয়া ভাল, শেক নয়
• দিনে একটা মাঝারি আম খাওয়া যেতে পারে
• ভরপেট খাওয়ার পরে আম না খেয়ে স্ন্যাক্স হিসাবে খাওয়া যেতে পারে
ফিটনেস কোচের কথায়, আম খেলেই ওজন বাড়বে এই কথা ঠিক নয়। ওজন বৃদ্ধি দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস, কতটা ক্যালোরি খাওয়া হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে। তা ছাড়া, শরীরচর্চা, দৈনন্দিন পরিশ্রমও অঙ্কের মাপকাঠিতে বিচার্য।