Advertisement
E-Paper

দইয়ে মেশান ৫ মশলা, গরমে পেট থাকবে ঠান্ডা, কমবে বদহজম, প্রোবায়োটিকে মিলবে বাড়তি পুষ্টিও

দইয়ে থাকে প্রোবায়োটিক, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাক্টেরিয়াকে পুষ্টির জোগান দেয়। উপরন্তু হেঁশেলের নির্দিষ্ট কিছু মশলা হজমে সহায়ক হয়। ফলে দই ও মশলার এই যুগলবন্দি গরমের দিনে শরীরের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ ১৩:৪৫
দইয়ে মিশে যাক পাঁচ মশলার গুণ।

দইয়ে মিশে যাক পাঁচ মশলার গুণ। ছবি: সংগৃহীত।

গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহে ঘরে পাতা দই এনে দিতে পারে এক টুকরো স্বস্তি। বার বার বদহজম ও পেট গোলমালের মতো সমস্যায় ভুগলে প্রোবায়োটিকই সহায় হতে পারে। শরীর ঠান্ডা রাখা, হজমে সাহায্য করা আর পেটকে আরাম দেওয়ার জন্য টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু শুধু দই না খেয়ে তার সঙ্গে গোটাকয়েক মশলা মিশিয়ে নিতে পারেন। তাতে বাড়তে পারে পুষ্টিগুণ। ভারতীয় হেঁশেলের খুব সাধারণ কয়েকটি উপাদানই দইকে আরও বেশি স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে অন্ত্রের জন্য।

দইয়ে থাকে প্রোবায়োটিক, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাক্টেরিয়াকে পুষ্টির জোগান দেয়। উপরন্তু হেঁশেলের নির্দিষ্ট কিছু মশলা হজমে সহায়ক হয়। ফলে দই ও মশলার এই যুগলবন্দি গরমের দিনে শরীরের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। পাশাপাশি সুস্বাদুও হতে পারে এই খাবার।

হিং

বদহজমের সমস্যা কমানোর জন্য হিংয়ের তুলনা হয় না। এক চিমটে হিং মিশিয়ে দিলে দই খেতেও ভাল লাগবে। হিং পিত্তথলি থেকে পিত্তরস এবং পাচকরসের ক্ষরণ বাড়ায়। ফলে খাবার দ্রুত হজম হয়ে যায়। তাই গ্রীষ্মের দুপুরে খাওয়ার পর হিং মেশানো দই খাওয়া খুব উপকারী।

জিরেগুঁড়ো

দইয়ের সঙ্গে রোস্ট করা জিরেগুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস বহু বাড়িতেই রয়েছে। পাচকরস ক্ষরণে সাহায্য করে বলে জিরে হজমক্ষমতা উন্নত করতে পারে। পাশাপাশি পেটফাঁপা বা পেটের অস্বস্তি কমাতে উপকারী বলে মনে করা হয়। গরমের দুপুরে জিরে-দই অনেকের কাছেই আরামদায়ক খাবার। এতে দইয়ের স্বাদও বৃদ্ধি পায়।

গোলমরিচ

গোলমরিচে থাকা পিপারিন শরীরে পুষ্টি শোষণে সাহায্য করতে পারে। ফলে দইয়ের সঙ্গে সামান্য গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য বড়ই উপকারী হতে পারে। স্বাদেও আসে অন্য মাত্রা। তবে মনে রাখা উচিত, অতিরিক্ত গোলমরিচ যোগ করলে পেট ঠান্ডা হওয়ার বদলে গরম হয়ে যাবে। এক বাটিতে এক চিমটে গোলমরিচ যেমন উপকারী, তার বেশি হলেই উলটপুরাণ হয়ে যাবে।

বিটনুন

সাধারণ নুনের বদলে সামান্য বিটনুন মিশিয়ে দিলে দইয়ের স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনই হজমেও সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে ভারী খাবারের পর অনেকেই এ ভাবে দই খান। কেউ আবার দইয়ে বিটনুন মিশিয়ে সেটিকে ঘোল করে খেতে ভালবাসেন। এতে পেট ঠান্ডা হয়, ফেঁপে থাকার সমস্যাও কমে।

পুদিনাগুঁড়ো

পুদিনা শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। দইয়ের সঙ্গে পুদিনাপাতা মিশিয়ে রায়তা বা ঘোল তৈরি করতে পারেন, আবার দইয়ের মধ্যে পুদিনার পাউডারও মিশিয়ে নিতে পারেন। গরমের দিনে বেশ সতেজ অনুভূতি পাবেন পুদিনা মেশানো দই খেলে। অম্বল এবং বমি ভাব দেখা দিলে সেটিও কমতে পারে এই রেসিপিতে।

Curd Benefits Summer Care Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy