নাগাড়ে মেয়ে আরতি রবিকে নিয়ে বলেই যাচ্ছেন জামাই রবি মোহন। বিয়ে ভাঙার সব দায় চাপিয়ে দিয়েছেন স্ত্রীর উপরে। একই সঙ্গে অভিযোগ, তাঁর দুই সন্তান আরভ এবং আয়ানের সঙ্গেও নাকি দেখা করতে পারছেন না মোহন। এ বার আসরে নামলেন তামিল অভিনেতার শাশুড়ি সুজাতা বিজয়কুমার।
তিনিও সংবাদমাধ্যমকে ডেকে প্রকাশ্যে এনেছেন পারিবারিক কিস্সা। সুজাতার কথায়, “সব শুনেছি। কে কাকে ব্ল্যাকমেল করেছিল! কে বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে হাতের শিরা কেটেছিল? সব প্রমাণ আছে। ঠিক সময়ে সব প্রকাশ্যে আনব।”
২০০৯ সালে আরতিকে বিয়ে করেন রবি মোহন। ১৫ বছরের দাম্পত্যের পরে বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন ২০২৪-এ। সম্প্রতি গায়িকা কিনিশা ফ্রান্সিসের সঙ্গে রবির সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। তবে খবর, সেই সম্পর্কেও চিড় ধরেছে নাকি। এর পরেই সরব রবি। তাঁর সঙ্গে ঘটা সাইবার অপরাধ, সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে না দেওয়া, তাঁর উপরে প্রাক্তন স্ত্রী আরতির কালোজাদু— কিচ্ছু বাদ রাখেননি। এ বার মেয়ের সমর্থনে সুজাতা পাল্টা মুখ খুলেছেন। সন্তানদের সঙ্গে তাদের বাবাকে দেখা করতে না দেওয়ার প্রসঙ্গটি সরাসরি অস্বীকার করেছেন। উল্টে জানিয়েছেন, তাঁর নাতি দশম শ্রেণির পরীক্ষা দিচ্ছে। তার বাবার আচরণ তার উপরে মানসিক চাপ তৈরি করছে। সুজাতার আক্ষেপ, ছোট বয়সেই অনেক কিছু দেখে ফেলল তাঁর নাতি।
চিকিৎসার জন্য সুজাতাকে নিয়মিত ২৫ হাজার টাকা দেন রবি। এমন অভিযোগও করেন তামিল অভিনেতা। তার জবাবে সুজাতা জানান, চিকিৎসার খাতে কোনও টাকা তিনি রবির থেকে পাননি। তার পরেই আরও যোগ করেন, “আর যদি দিয়েই থাকে, তা হলে সে জামাইয়ের ‘কর্তব্য’ করেছে।” পাশাপাশি তিনি তুলে ধরেছেন সাইবার অপরাধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিও। সুজাতা জানিয়েছেন, ‘সাইবার বুলিং’য়ের জন্য প্রকৃত দায়ী কে, তা জানতে তাঁরা সাইবার অপরাধদমন শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। সুজাতা আরও বলেন, “তামিলনাড়ুতে যখন নারীদের প্রতি অবিচার করা হয়, তখন সবাই প্রতিবাদ করে।” তাই আরতির পোস্টে লক্ষ লক্ষ মানুষ মন্তব্য করেছেন। সমর্থন জানিয়েছেন তাঁকে। এটুকু বলেই যেন খানিক সতর্ক হয়ে যান তিনি। আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, “আমি এই বিষয়ে আর কথা বলতে চাই না। বেশি বললে আদালতের অবমাননা করা হবে। আইনের উপর আমার আস্থা আছে। আমাদের সময় দিন। নিশ্চয়ই সব অভিযোগের জবাব দেব।”