ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃৎপিণ্ড এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে অনেকের শরীরেই এই ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা কম থাকে, তাঁরা হয়তো বুঝতেও পারেন না। এই অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড কেবল প্রদাহ হ্রাস করে না, দীর্ঘমেয়াদী হৃদ্রোগের ঝুঁকি দূর করতেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈবসূচক হিসাবে বিবেচিত হয়। তবে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষেরা আর পাঁচটা শারীরিক পরীক্ষা নিয়মিত করিয়ে নিলেও ওমেগা ৩-এর মাত্রা পরীক্ষা করাতে ভুলে যান।
ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ইপিএ এবং ডিএইচ এ ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়, প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে। সব মিলিয়ে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সামগ্রিক ভাবে রক্তনালির কার্যকারিতা উন্নত করে হৃদ্রোগ ঠেকিয়ে রাখতে অনেকটাই সাহায্য করে।
শরীরে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা কমে গেলে কী কী ক্ষতি হতে পারে?
করোনারি হার্ট ডিজ়িজ়: হৃৎপিণ্ডের ধমনীতে যখন ফ্যাট জমে (প্লাক), তখন হৃৎপিণ্ডের পেশীতে রক্তপ্রবাহের মাত্রা কমে যায়। এই সমস্যাকেই বলা হয় করোনারি হার্ট ডিজ়িজ়। এর প্রধান লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং ক্লান্তি। শরীরে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা কমে গেলে এই সমস্যা বাড়তে পারে।
অন সেট আর্লি করোনারি অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস: এই সমস্যা সাধারণত পুরুষদের ক্ষেত্রে ৪৫-৫০ বছর বয়সের আগে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৫৫ বছর বয়সের আগেই ঘটে। এ ক্ষেত্রেও ধমনীতে প্লাক জমা হয়, যা থেকে করোনারি সিনড্রোম, হার্ট অ্যাটাক, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
কোন কোন পরীক্ষার দ্বারা ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা যাচাই করা যেতে পারে?
১) ওমেগা ৩ ফ্যাটি ইনডেক্স বেসিক/ কমপ্লিট
২) ফ্যাটি অ্যাসিড প্রোফাইল/ প্যানেল
৩) ড্রায়েড ব্লাড স্পট টেস্ট