স্কুল সার্ভিস কমিশন ২০১৬ নিয়োগ মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল, কোনও ‘দাগি’ চাকরিপ্রার্থী আগামী নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া নিশ্ছিদ্র করা সম্ভব হয়নি। নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যপর্বে এসেও নতুন করে চিহ্নিত ‘অযোগ্য’দের নামপ্রকাশ করছে এসএসসি। শুক্রবার নতুন করে এমন ১৬ জন প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
কমিশনের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই প্রার্থীদের নাম আগেই চিহ্নিত ‘দাগি’দের তালিকায় ছিল। সিবিআইয়ের যাচাই করা ওএমআর শিট-এ ‘মিস ম্যাচ’ তালিকায় ছিল বেশির ভাগের নাম। অথচ, তাঁরা ২০২৫-এর দ্বিতীয় স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্ট (এসএলএসটি) পরীক্ষায় বসেছিলেন। পরবর্তী পর্যায়ে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায়ও যোগ দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
এঁদের চিহ্নিত করে প্যানেল থেকে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসএসসি। কেউ ওই পরীক্ষায় যোগ দিয়ে থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। গত নভেম্বরে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষার ফলপ্রকাশের পর দেখা যায় অনেক ‘অযোগ্যে’র নাম রয়েছে পরীক্ষার্থী হিসাবে। সেই সময় ২৬৯ জনকে চিহ্নিত করল স্কুল সার্ভিস কমিশন।
২০১৬ নিয়োগ প্যানেল প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগে বাতিল করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তার ফলে একধাক্কায় চাকরি হারিয়েছেন ২৬ হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী। নতুন করে পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু বলা হয়েছিল, যাঁরা ‘দাগি’ হিসাবে চিহ্নিত, তাঁরা কোনও ভাবেই নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় যোগ দিতে পারবেন না। তাঁদের ফেরত দিতে হবে বেতনও।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের আদালতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে ম চিহ্নিত ‘দাগি’র সংখ্যা ১৮০৬ জন। আর শিক্ষা কর্মীদের মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার।