শরীর ঠান্ডা রাখতে ঘুম থেকে উঠে মেথি ভেজানো জল খাওয়া হচ্ছে অনেক বাড়িতেই। সুগারের রোগীরা আবার সুগার কমানোর আশায় মেথি ভেজানো জল খান। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ এবং ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, চুল পড়া রোধ থেকে শুরু করে রক্তাল্পতার সমস্যায়ও এটি সাহায্য করে। যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে, তাঁদের জন্যেও মেথি বেশ উপকারী। তাই ‘সুপার ফুড’-এর তালিকায় নাম রয়েছে মেথির।
ফলিক অ্যাসিড, রাইবোফ্লাভিন, কপার, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি অসংখ্য উপকারী উপাদান এবং পুষ্টির সমৃদ্ধ উৎস হিসাবে মেথি খুবই কার্যকর।
কারা মেথির জল খাবেন না?
১) অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মেথি বা মেথির জল না খাওয়াই ভাল। এতে মা এবং বাচ্চার সমস্যা হতে পারে। প্রি-টার্ম ডেলিভারি বা নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রসবের ঝুঁকি থাকে।
২) নিয়মিত মেথির জল খেলে রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। তাই যাঁরা ব্লাড থিনার জাতীয় ওষুধ খান, তাঁদের মেথির জল না খাওয়াই ভাল। রক্ত খুব বেশি পাতলা হয়ে গেলেও মুশকিল।
৩) মেথিতে এমন কিছু গয়ট্রোজেনিক উপাদান রয়েছে যা থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, ফলে হাইপোথাইরয়েডিজ়মে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এটি সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে।
৪) মেথি খেলেই চুলকায়? মেথি বা মেথির জল খেলে ত্বকে নানা ধরনের অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। যাঁদের এমন হয়, তাঁরা মেথির জল এড়িয়ে চলুন।
৫) মেথির জল রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে যাঁদের রক্তে শর্করার মাত্রা এমনিতেই কম, তাঁদের বেশি মেথি না খাওয়াই ভাল।