Advertisement
E-Paper

ঘামাচিতে নাজেহাল! পাউডার মেখে স্বস্তি মিললেও কেন ব্যবহার করতে বারণ করছেন চিকিৎসকেরা?

এক বার ঘামাচি হলে তা কমতে সময় লাগে। সারা শরীর যেমন লালচে ফোস্কায় ভরে যায়, তেমন তাতে ব্যথা-চুলকানিও হয়। তা কমানোর পথ খুঁজতেই হতে হয় নাজেহাল। পাউডার মেখে স্বস্তি মিললেও কেন তা বারণ করছেন চিকিৎসকেরা?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ১৭:৩৭
ঘামাচি হলে কেন পাউডার মাখবেন না?

ঘামাচি হলে কেন পাউডার মাখবেন না? ছবি: সংগৃহীত।

গরমের দিনে যে সব সমস্যার কারণে নাজেহাল হতে হয়, তার মধ্যে ঘামাচি অন্যতম। রোদের মধ্যে বেরিয়ে ঘেমে নাজেহাল অবস্থা হয়। আর এ সময়েই বাড়ে ঘামাচিরও দাপট।

এক বার ঘামাচি হলে তা কমতে সময় লাগে। সারা শরীর যেমন লালচে ফোস্কায় ভরে যায়, তেমন তাতে ব্যথা-চুলকানিও হয়। তা কমানোর পথ খুঁজতেই হতে হয় নাজেহাল। কেউ দিনে কয়েক বার করে স্নান করেন, কেউ আবার বাজারে বিক্রি হওয়া ঘামাচির রকমারি পাউডার মাখেন। তাতে সাময়িক আরাম হয় ঠিকই কিন্তু ঠান্ডার অনুভূতি চলে যেতেই ঘামাচির জ্বালা আবার ফিরে আসে।

সাধারণত ঘামাচি তিন ধরনের হয়। মিলিয়ারিয়া ক্রিস্টালিনা, মিলিয়ারিয়া রুব্রা আর মিলিয়ারিয়া প্রোফান্ডা। নাম শুনে ভয় লাগতেই পারে, তবে বিষয়টি ততটাও ভয়ানক নয়। ঘাম নিঃসরণ হওয়ার গ্রন্থি এবং নালিগুলির মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সেই স্থানে ঘামাচি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে শরীর জুড়ে ছোট ছোট ফোস্কার মতো বেরোয়, তখন তেমন চুলকানি হয় না। একেই বলে মিলিয়ারিয়া ক্রিস্টালিনা। এর পরবর্তী পর্যায়ে ঘামাচিগুলি লাল র‌্যাশের মতো হয়ে যায়, শরীরে চুলকানি বাড়ে। এই পর্যায়কে বলা হয় মিলিয়ারিয়া রুব্রা। আর ঘামাচি পেকে গিয়ে পুঁজ বেরোতে শুরু করলে সেই পর্যায়টিকে বলা হয় মিলিয়ারিয়া প্রোফান্ডা।

ঘামাচির সমস্যা রুখতে পাউডার কতটা উপকারী?

চিকিৎসক কৌশিক লাহিড়ীর মতে, ঘামাচি হলে পাউডারের ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে। চিকিৎসক বলেন, ‘‘ঘামাচি থেকে রেহাই পেতে বাজারে একাধিক সংস্থার পাউডার পাওয়া যায়, তবে এই পাউডারগুলি ব্যবহার করলে ঘামাচির সমস্যায় আদৌ কোনও লাভ হয় না। এতে ঘামের গ্রন্থিগুলি আরও বেশি বন্ধ হয়ে গিয়ে সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে পাউডার না মেখে বার বার স্নান করলে বরং বেশি উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া ল্যাক্টোক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সমস্যা বাড়াবাড়ির পর্যায় পৌঁছোলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে অ্যান্টি-অ্যালার্জিক সিরাপও খেতে হতে পারে। ঘামাচি হলে পাউডারের পাশাপাশি শরীরে অ্যান্টিসেপটিক সাবান বা লোশন ব্যবহার করবেন না। আর চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনও রকম স্টেরয়েড মলম ব্যবহার করবেন না।’’

Heat Rashes Summer Heat Rash Summer Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy