গোলাপের পাপড়ি দিয়ে তৈরি চা শুধুমাত্র সুগন্ধিই নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আয়ুর্বেদে তো বটেই এবং আধুনিক বিজ্ঞানেও এই পানীয়ের ভেষজগুণকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে। এই চা খাওয়ার উপকারিতা অনেক—
১. ওজন নিয়ন্ত্রণ
গোলাপের পাপড়ি হজমক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে। শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর রাখে, সেই সঙ্গে বিপাকের হারও ত্বরান্বিত করে। এই সব কিছুই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
২. উদ্বেগ দূর করে
গোলাপের সুগন্ধ মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। কাজের ক্লান্তি কমাতে বা মানসিক চাপ কমাতে তাই এক কাপ গোলাপের পাপড়ি দেওয়া চা দারুণ কাজ করে। অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যা দূর করতেও এটি কার্যকর।
৩. রোগ প্রতিরোধ
গোলাপের পাপড়িতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সর্দি, কাশি বা ফ্লু জাতীয় সমস্যা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
৪. ত্বকের ঔজ্জ্বল্য
নিয়মিত গোলাপের চা পান করলে শরীরের ভেতর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায়। এর ফলে ব্রণের সমস্যা কমে এবং ত্বকে প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। এটি বার্ধক্যের ছাপ কমাতেও সাহায্য করে।
৫. ঋতুর সমস্যায়
পিরিয়ডের সময় হওয়া ব্যথা বা ক্র্যাম্প কমাতে গোলাপ চা দারুণ কার্যকরী। এটি হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতেও সাহায্য করে।
কীভাবে বানাবেন
কিছু তাজা গোলাপের পাপড়ি নিন খেয়াল রাখবেন, তা কীটনাশকমুক্ত হয়। এক কাপ গরম জলে পাপড়িগুলো দিয়ে ৫-৭ মিনিট ঢেকে রাখুন। এই জলে সামান্য গ্রিন টি ভিজিয়ে ছেঁকে নিন। স্বাদের জন্য সামান্য মধু বা লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
কারা খাবেন না?
যদি কোনো বিশেষ অ্যালার্জি থাকে বা অন্তঃসত্ত্বা হলে এই চা নিয়মিত খাওয়া যায় কি না তা চিকিৎসকের থেকে জেনে নিন।