চাল লক্ষ্মীদেবীর প্রতীক। শাস্ত্রে তেমনটাই বলা রয়েছে। অক্ষত চাল জ্যোতিষ এবং বাস্তুমতে খুবই শুভ বলে মানা হয়। চাল খুবই ছোট্ট একটা বস্তু। কিন্তু এর উপকারিতা প্রচুর। খাদ্যদ্রব্য হিসাবে চালের গুরুত্ব অপরিসীম। হিন্দু দেব-দেবীদের পুজোর কাজেও চাল ব্যবহার করা হয়। এরই সঙ্গে চাল দিয়ে বিশেষ কিছু উপায় করা যেতে পারে। শাস্ত্র তেমনটাই বলছে। এর ফলে নানা দিক থেকে উন্নতি করতে পারবেন। কী কী টোটকা পালন করবেন, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
উপায়:
১) রান্নাঘরে যেখানে চাল রাখা হয়, সেই পাত্রে একটা কয়েন রাখুন। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কয়েনটা যেন খুবই চকচকে হয়। পুরনো বা অপরিষ্কার কয়েন যেন না হয়। এ ছাড়া চালের পাত্রে শুকনো গাঁট হলুদ রাখাও অত্যন্ত শুভ। এর ফলে বাড়িতে কখনও টাকা-পয়সার অভাব হয় না।
২) একটা ছোট পাত্রে কিছুটা চাল ভরে ঘরের প্রধান দরজার পাশে রেখে দিন। যে স্থানে চাল রাখবেন সেই স্থান যেন পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকে।
আরও পড়ুন:
৩) প্রতি বৃহস্পতিবার কোনও অভাবী ব্যক্তিকে এক মুঠো হলেও চাল দান করুন। নিজের সাধ্যমতো যতটা সম্ভব চাল দান করতে পারেন। এর ফলে আর্থিক স্থিতি ঠিক হয় এবং পুরনো পাওনা আদায় হয়।
৪) যদি কোনও কাজ দীর্ঘ দিন ধরে আটকে থাকে সে ক্ষেত্রে মঙ্গলবার দিন ন’টা অক্ষত চাল হনুমানজির সামনে অর্পণ করুন।
৫) যদি বাড়িতে আর্থিক স্থিতি ঠিক না থাকে অথবা টাকা-পয়সা একেবারেই সঞ্চয় না হয় সে ক্ষেত্রে একটা লাল কাপড়ে সাতটা অক্ষত চাল মুড়ে নিজের মানিব্যাগে রেখে দিন।
আরও পড়ুন:
৬) যদি দুর্ভাগ্য সঙ্গ না ছাড়ে তা হলে একটা তামার ঘটিতে জলের মধ্যে কিছুটা হলুদ এবং কয়েকটা চাল দিয়ে সূর্যদেবকে অর্পণ করুন। এই উপায়টা পর পর ৪৩ দিন করলে ভাগ্য চমকাতে বাধ্য।
৭) শনিদেবের রোষ থেকে বাঁচতে চালের সঙ্গে কিছুটা কালো তিল মিশিয়ে কোনও অভাবীকে দান করুন।