সম্পর্কে টানাপড়েন থাকা স্বাভাবিক বিষয়। কোনও সম্পর্কই একই ছন্দে সারা জীবন বয়ে চলতে পারে না। সেখানে ভুল বোঝাবুঝি, মান-অভিমান এ সমস্ত জিনিস থাকবেই। কিন্তু ঝগড়া-অশান্তির সময় বিপরীতের মানুষটিকে কী বলা হচ্ছে সে বিষয়ে নজর রাখা জরুরি। অন্যথায় এমন কিছু কথা আমরা বলে ফেলি যা সঙ্গীকে কষ্ট দেয়। তাঁকে আমাদের থেকে দূরে নিয়ে চলে যায়। শাস্ত্র জানাচ্ছে, তিনটি জন্মসংখ্যার মানুষকে কষ্ট দিলে সেই বোঝা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। এর ফলে খারাপ কর্মফলের শিকার হই আমরা। কারণ, সেই তিন জন্মসংখ্যার মানুষেরা সব কিছু মনে রেখে দেন। তালিকায় কোন কোন জন্মসংখ্যা রয়েছে, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
কোন তিন জন্মসংখ্যার ব্যক্তিদের কষ্ট দিলে খারাপ কর্মফল ভোগ করতে হয়?
৩: যে সকল জাতক-জাতিকার জন্মসংখ্যা ৩, তাঁরা মানুষের ব্যবহার মনে রেখে দেন। কষ্ট পেলে চুপ করে যান এঁরা। প্রতিশোধ নেওয়ার কোনও ইচ্ছাও এঁদের মধ্যে দেখা যায় না। ৩ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিরা দুঃখ পেলে চুপচাপ জীবন থেকে সরে যান। এঁরা সময়ে বিশ্বাস রাখেন। আর সময় এঁদের যোগ্য ফল দেয়। যে মানুষ এঁদের কষ্ট দেয়, সেই মানুষকেও সেই পরিমাণ কষ্ট ভোগ করতে হয়।
৭: ৭ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের কষ্ট দিলে জীবন তছনছ হয়ে যায় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। নিজেদের সঙ্গে হওয়া অন্যায় এঁরা মুখ বুজে সহ্য করে নেন। প্রতিবাদ করেন না। নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টাও করেন না। সমস্ত কষ্ট মনের গহীনে চেপে রেখে দেন। তবে ৭ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের কষ্ট দিলে কর্মফল পিছু ছাড়ে না। সময় সে সমস্ত মানুষের পরীক্ষা নেয়।
আরও পড়ুন:
৯: বিশ্বাস ৯ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের কাছে সবচেয়ে বড়। এঁদের বিশ্বাস ভাঙলে মারাত্মক ফল ভোগ করতে হয়। যে মানুষ এক বার এঁদের বিশ্বাস ভাঙেন, তাঁদের দিকে এঁরা আর ফিরে চান না। কিন্তু কর্মফল এঁদের পিছু ছাড়ে না। ৯ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের বিশ্বাস ভাঙার মারাত্মক মাসুল গুনতে হয় বলে জানাচ্ছে সংখ্যাতত্ত্ব।