নিত্যনতুন জামা কেনার নেশা বহু মানুষেরই থাকে। আলমারিতে সে সমস্ত জামা রাখার জায়গা হয় না। উপচে বেরিয়ে আসতে চায় তারা। তা সত্ত্বেও জামা কেনার হিড়িক কমে না। এর জন্য বাড়ির সদস্যদের কাছে কম মুখঝামটা শুনতে হয় না! তবে কোনও জামা এক বার পছন্দ হয়ে গেলে সেটি না কিনতে পারা পর্যন্ত মন যেন মানে না। নতুন কেনা জামাকাপড়ের জন্য জায়গা তৈরি করতে অনেকেই পুরনো জামাগুলি গরিব-দুঃখীদের মধ্যে দান করে দেন। দানকার্যের মাহাত্ম্য যে কতখানি সে সম্বন্ধে অনেকেরই জানা রয়েছে। তবে নিজের পরা পুরনো জামা দানের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। অন্যথায় অমঙ্গলের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। দানকার্যের প্রভাবে সুফল প্রাপ্তি তো হয়ই না। উল্টে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
আরও পড়ুন:
পুরনো জামা দানের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখা জরুরি?
নুনজলে ধুয়ে নিন: পুরনো পোশাক দানের আগে সেগুলি ভাল করে ধুয়ে নেওয়া আবশ্যিক। তবে কেবল ধুলেই হবে না। ধোয়ার পর সেগুলি সারা রাত নুনজলে চুবিয়ে রাখার নিদান দিচ্ছে শাস্ত্র। তার পর সেগুলিকে শুকিয়ে অপরকে দান করতে হবে। শাস্ত্রমতে, জামাকাপড়ের সঙ্গে আমাদের শক্তি জড়িয়ে থাকে। তাতে নেগেটিভ শক্তিও থাকতে পারে, আবার পজ়িটিভ শক্তিও থাকতে পারে। সেগুলি ধুয়ে অপরকে দান করলে তাতে থাকা শক্তিগুলি মুছে যায়। ফলে নিজেরও ভাল হয়, অপরেরও ভাল হয়।
ভাল পোশাক: অনেকেই ছেঁড়া জামাকাপড় দান করেন। এ কাজ করা মোটেও উচিত নয়। শাস্ত্রমতে, এমনটা করলে পুণ্যের থেকে পাপ বেশি হয়। তাই ছেঁড়া-ফাটা পোশাক দান করা যাবে না। পরার যোগ্য পোশাকই দান করা শ্রেয়।
জাহির করা: আপনি যে দান করছেন, তা আর পাঁচজনের কাছে নিজে সেধে গল্প করতে যাবেন না। অনেকেই এ সমস্ত কাজের ভিডিয়ো করে, ছবি তুলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। কিন্তু শাস্ত্রমতে তেমনটা করা মোটেও উচিত নয়। এতে জীবনের উপর খারাপ প্রভাব পড়ে। তাই দানকার্যের কথা কখনও জাহির করতে যাবেন না।