মহাদেবের কৃপা কে না পেতে চান। প্রায় সকল মানুষের মনেই ভোলেবাবার বরপ্রাপ্তির বাসনা থাকে। তাঁর আশীর্বাদ লাভ করা বিশেষ কঠিন কাজও নয়। মন দিয়ে ডাকলে এবং নিষ্ঠাভরে শিবের উপাসনা করলেই তাঁর আশীর্বাদ লাভ করা যায়। তবে তিন রাশি রয়েছে যারা জন্মগত ভাবে ভোলেবাবার প্রিয় হন। শিবের কৃপা এঁদের সঙ্গে সর্বদা থাকে। মন দিয়ে ডাকুক চাই না ডাকুক, বাবা ভোলেনাথ এদের ভোলেন না। তবে উপাসনা করলে ফলপ্রাপ্তির পরিমাণ দ্বিগুণ হয় অবশ্যই।
আরও পড়ুন:
কোন তিন রাশির ব্যক্তিরা মহাদেবের প্রিয়?
কর্কট: প্রায় সকলেই জানি যে শিবের মাথায় স্থান পেয়েছে চাঁদ। আর সেই চাঁদেরই রাশি হল কর্কট। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের উপর শিবের আশীর্বাদ থাকা অস্বাভাবিক কোনও বিষয় নয়। এই জাতক-জাতিকাদের শিবের প্রতি একটা অদ্ভুত আকর্ষণ কাজ করে। মন দিয়ে কোনও সমস্যার কথা যদি এঁরা মহাদেবকে জানান, তা হলে তিনি এঁদের কখনও খালি হাতে ফেরান না। সেই সমস্যার সমাধানের রাস্তা দেখিয়ে দেন।
বৃশ্চিক: মঙ্গলের রাশি বৃশ্চিক জাতক-জাতিকাদের রাগ অনেকটা মহাদেবের মতন হয়। এমনিতে এঁরা শান্ত, কিন্তু এই রাশির ব্যক্তিদের মনবিরুদ্ধ কোনও কাজ করলে বা এঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলেই এঁরা রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। তবে শিব বৃশ্চিক জাতক-জাতিকাদের মন শান্ত রাখার শক্তি দেন। তাঁর কৃপায় এঁদের কর্মদক্ষতাও হয় প্রশংসনীয়। প্রতি সোমবার শিবের মাথায় জল ঢাললে বৃশ্চিক রাশির ব্যক্তিরা খুব ভাল ফল পান।
কুম্ভ: শনির রাশি কুম্ভ জাতক-জাতিকাদের উপরও শিবের কৃপা থাকে। শিবের কৃপায় এই রাশির ব্যক্তিদের কোনও ইচ্ছা অসম্পূর্ণ থাকে না। তবে সেটি পূরণের জন্য পরিশ্রম এঁদের নিজেদেরই করতে হয়। পর্যাপ্ত পরিশ্রম করলে কুম্ভ রাশির ব্যক্তিদের কখনও হতাশ হতে হয় না। এই রাশির ব্যক্তিরা শান্তিপ্রেমী হন। সব সময় শান্ত পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করেন। শিবের কল্যাণে এঁরা জীবনে প্রচুর সফলতা লাভ করতে পারেন।