Advertisement
E-Paper

পূত্রবধূর উপর লাগাতার অত্যাচার, ছেলেকে মেরে ফেললেন মা

কারণে-অকারণে প্রায় রোজই পুত্রবধূকে বেধড়ক মারত ছেলে। বিশেষ করে মাদকের নেশা চড়ে থাকলে দিগ্বিদিক জ্ঞান থাকত না ছেলের। মার খেতে খেতে ধৈর্য হারাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূ। এমনকী, স্বামীর সংসার ছেড়ে চলেও যেতে চেয়েছিলেন তিনি।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৭ অগস্ট ২০১৭ ১৭:৪৫

তিনি জন্মদাত্রী। আবার তিনিই অশুভনাশিনী!

কারণে-অকারণে প্রায় রোজই পুত্রবধূকে বেধড়ক মারত ছেলে। বিশেষ করে মাদকের নেশা চড়ে থাকলে দিগ্বিদিক জ্ঞান থাকত না ছেলের। মার খেতে খেতে ধৈর্য হারাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূ। এমনকী, স্বামীর সংসার ছেড়ে চলেও যেতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বৌমাকে ছাড়তে চাননি শাশুড়ি। এমনকী, ছেলের হাত থেকে তাঁকে বাঁচানোর আশ্বাসও দিয়েছিলেন। বৌমাকে বাঁচাতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত ছেলেকে মেরেই ফেললেন মা! গ্রেফতার করা হয়েছে ওই মহিলাকে।

আও পড়ুন: মাকে মেরে ফেলবে, মামাকে বলল নিশা

মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মুম্বইয়ের মানখুড়দ এলাকায়। এখানকার অম্বেডকর চউলে মা আনওয়ারি, স্ত্রী, দুই দাদা ও বৌদিদের সঙ্গে থাকতেন বছর পঁচিশের নাদিম নইম। বছর দু’য়েক আগে ইলাহাবাদের ওই যুবতীর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল নাদিমের। যুবতীর অভিযোগ, বিয়ের সময় নাদিমের মাদকের নেশা সম্বন্ধে কিছুই জানতেন না তিনি। বিয়ের পর থেকেই নেশা করে তাঁকে মারধর করতেন নাদিম। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পাঁচ মাসের মধ্যে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন ওই গৃহবধূ।

আরও পড়ুন: ৩০ ভোটে হার, আত্মহত্যা কুপার্সের বিক্ষুব্ধ তৃণমূল প্রার্থীর

কিন্তু বৌমাকে ভালবাসতেন আনওয়ারি। সেই সময় তাঁকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে বাড়িতে ফিরিয়েও এনেছিলেন তিনি। কথা দিয়েছিলেন, নাদিম সমস্ত নেশা ছেড়ে দেবে। আর মারধরও করবে না। শাশুড়ির আশ্বাসের উপর ভরসা রেখে ফের ঘরে ফিরেছিলেন ওই যুবতী। কিন্তু অবস্থার কোনও হেরফের হয়নি।

মানখুড়দ থানার পুলিশ ইনস্পেক্টর চন্দ্রকান্ত লাঞ্জ জানান, মঙ্গলবার রাতেও নেশা করে বাড়ি ফিরেছিলেন নাদিম। বৌমাকে বাঁচাতে তাই আগেই তাঁকে পড়শির বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন আনওয়ারি। রাতে বৌকে না দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মায়ের উপর চড়াও হয় নাদিম। হাতাহাতির মধ্যেই একটি স্টিলের মইয়ের সঙ্গে নাদিমকে চেপে ধরেন আনওয়ারি। ওড়নার ফাঁস দিয়ে দেন নাদিমের গলায়। কিছু ক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় নাদিমের।

আরও পড়ুন: বিমানসেবিকার মৃত্যু নিয়ে আঁধারে পাড়াও

ওই গৃহবধূ থানায় জানান, পর দিন ভোর পৌনে ৬টা নাগাদ বাড়ি ফিরে তিনি দেখেন, তাঁর স্বামীর মৃতদেহের পাশে বসে ফুপিয়ে কেঁদে চলেছেন শাশুড়ি। তখনই সমস্ত বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।

Murder Mumbai Mankhurd Daughter-In-Law
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy