অ-হিন্দিভাষী পড়ুয়াদের উপর জোর করে হিন্দি চাপিয়ে দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এই অভিযোগ তুলে ‘আত্মঘাতী’ হলেন ৮৫ বছরের এক ডিএমকে সদস্য। শনিবার সকালে সালেম জেলায় ডিএমকে কার্যালয়ের সামনে নিজের গায়ে তিনি আগুন ধরিয়ে দেন বলে সূত্রের খবর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বৃদ্ধের।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তামিলনাড়ুর শাসকদল ডিএমকে-র সক্রিয় সদস্য ওই বৃদ্ধ পেশায় কৃষক ছিলেন। তবে কৃষিকাজের পাশাপাশি ডিএমকে-র কৃষক ইউনিয়নের সংগঠক হিসাবেও কাজ করতেন। অভিযোগ, শনিবার সকাল ১১টা নাগাদ থালাইয়ুরে ডিএমকে-র কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় আত্মঘাতী হন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদের সময় তাঁর হাতে একটি পোস্টারও ছিল। তাতে লেখা ছিল, ‘‘মোদী সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার, আমরা হিন্দি চাই না। আমাদের মাতৃভাষা তামিল। হিন্দি হল জোকারদের ভাষা। পড়ুয়াদের উপর হিন্দি চাপিয়ে দিলে তাঁদের ক্ষতি হবে। হিন্দি হটান!’’ এর পরেই নিজের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, আইআইটি-র মতো দেশের সমস্ত টেকনিক্যাল এবং নন-টেকনিক্যাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিন্দি ভাষায় পড়ানোর প্রস্তাব করেছে একটি সংসদীয় প্যানেল। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর হয়েছে তামিলনাড়ু-সহ বহু রাজ্য। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ছেলে তথা ডিএমকে-র যুব সংগঠনের সম্পাদক উদয়নিধি স্ট্যালিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, পড়ুয়াদের উপর হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দেওয়ায় বিক্ষোভ শুরু করবে তাঁর দল।