স্ত্রী এবং চার সন্তানকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন হরিয়ানার গুরুগ্রামের এক বাসিন্দা। ছুরি দিয়ে নিজের হাতের কব্জি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বেঁচে যান। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঘটনাটি ঘটেছে গুরুগ্রামের ওয়াজ়িরপুরে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, ৩৯ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী এবং চার ছেলেমেয়েকে বিষপ্রয়োগ করে খুন করেন। তাঁদের মধ্যে তিন বছরের এক শিশুপুত্রও রয়েছে। ওই দম্পতির বাকি তিন সন্তানই কন্যা। তাদের বয়স ১৪, ১২ এবং ১০ বছর। তার পরেই বাড়িতে থাকা ছুরি দিয়ে হাতের কব্জি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ওই ব্যক্তির ভাই বাড়ি ফিরে দোতলায় উঠে বৌদি এবং চার ভাইপো-ভাইঝিকে অচেতন অবস্থায় দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীদের সাহায্যে পাঁচ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে সকলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গুরুগ্রাম পুলিশের মুখপাত্র সন্দীপ তুরান জানান, মৃত মহিলার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেশীরাই কন্ট্রোলরুমে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে বাড়ির একটা ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারটি উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদের বাসিন্দা। ওয়াজ়িরপুরে ভাড়াবাড়িতে থাকত।
আরও পড়ুন:
কী কারণে ওই ব্যক্তি এমন কাণ্ড ঘটালেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে বিষপ্রয়োগ করে স্ত্রী, সন্তানদের খুন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এক তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, আপাতত ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। তিনি সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁর বয়ান নেওয়া হবে। কেন স্ত্রী, সন্তানকে খুন করলেন, তা স্পষ্ট হবে।