Advertisement
E-Paper

লড়াই চলবেই, বলছেন সনিয়া

দেশের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এক দিন আগে রামনাথ কোবিন্দের ‘নিশ্চিত’ জয়ের সম্ভাবনা দেখে টগবগ করে ফুটছেন নরেন্দ্র মোদী। আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখেই মোদীর ‘সঙ্কীর্ণ সাম্প্রদায়িক’ ভাবনার বিরুদ্ধে নতুন লড়াই শুরু করতে চাইছেন সনিয়া গাঁধীরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুলাই ২০১৭ ০৪:৩৮
মুখোমুখি ইউপিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী গোপালকৃষ্ণ গাঁধী এবং রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মীরা কুমার। রবিবার নয়াদিল্লিতে বিরোধী দলগুলির বিশেষ বৈঠকের পরে। ছবি: পিটিআই

মুখোমুখি ইউপিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী গোপালকৃষ্ণ গাঁধী এবং রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মীরা কুমার। রবিবার নয়াদিল্লিতে বিরোধী দলগুলির বিশেষ বৈঠকের পরে। ছবি: পিটিআই

দেশের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এক দিন আগে রামনাথ কোবিন্দের ‘নিশ্চিত’ জয়ের সম্ভাবনা দেখে টগবগ করে ফুটছেন নরেন্দ্র মোদী। আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখেই মোদীর ‘সঙ্কীর্ণ সাম্প্রদায়িক’ ভাবনার বিরুদ্ধে নতুন লড়াই শুরু করতে চাইছেন সনিয়া গাঁধীরা।

কোবিন্দের জয় নিয়ে যে কোনও সন্দেহ নেই, তা আজ এনডিএ নেতাদের ফলাও করে জানান প্রধানমন্ত্রী। সংসদের পাঠাগার ভবনে তিনি বলেন, ‘‘৪০ টি দলের সমর্থন আছে। শুধু ভোটটা ঠিকমতো দিলেই হবে।’’ কোবিন্দকে পাশে নিয়ে মোদী যখন এই কথা বলছেন, তখন তার ঢিলছোড়া দূরত্বে সংসদেরই অ্যানেক্স ভবনে মীরা কুমার, গোপালকৃষ্ণ গাঁধীর উপস্থিতিতে নিজের বক্তব্য রাখছেন সনিয়া গাঁধী। কংগ্রেস সভানেত্রী বলেন, ‘‘অঙ্ক পক্ষে নেই। কিন্তু সঙ্কীর্ণ, বিভাজনকারী, সাম্প্রদায়িক ভাবনা আরোপকারীদের কৃপায় ভারতকে ছেড়ে দেওয়া যায় না। তাই পরস্পরবিরোধী বিচারধারার এই লড়াই থেকে পিছু হটার প্রশ্ন নেই।’’

নিজেদের ভোট নিশ্চিত করতে আজ দলের সাংসদদের প্রশিক্ষণও দেন মোদী। বলেন, ঐক্যের ভিত্তিতে নাম ঠিক হলে ভাল হতো। তবে প্রচারপর্বে কটুতা হয়নি, সেটি সুখকর। অন্য দিকে, সনিয়াদের ভরসা বিবেকের ভোট— যে ‘অন্তরাত্মা’র কথা গোড়া থেকেই বলে আসছেন মীরা। সনিয়ার বক্তব্য, সর্বশক্তি দিয়ে লড়তে হবে। কারণ, দেশের সংবিধান আর আইন এখন বিপদের মুখে। কংগ্রেস সভানেত্রী মনে করেন, এই সঙ্কট থেকে দেশকে মুক্তি দিতে পারেন মীরা-গোপালকৃষ্ণের মতো ব্যক্তিরাই, যাঁরা সারা জীবন সহনশীলতা, বহুত্ববাদকে রক্ষা করে এসেছেন। পশ্চিমবঙ্গে যেমন এক ‘চ্যালেঞ্জের সময়ে’ সকলকে নিয়ে চলেছিলেন গোপালকৃষ্ণ।

গোপালকৃষ্ণ বলেন, ‘‘দেশের জন্য লড়তে এক জন পেনশন গ্রহীতাকে অবসর ভেঙে ফিরিয়ে আনার জন্য ১৮টি দলকে ধন্যবাদ।’’ তাঁর আরও মত, এখন দেশের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে, সংবাদমাধ্যমও চ্যালেঞ্জের মুখে। সন্ত্রাসবাদীদের আতঙ্ক তা-ও বোঝা যায়, কিন্তু এখন অন্য রকমের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে— কথা বলার আতঙ্ক। অঙ্কের বিচারে যেন এই লড়াই পথভ্রষ্ট না হয়।

সকালের সর্বদল বৈঠকে দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে মোদী যখন বিরোধী শিবিরকে ছত্রভঙ্গ করতে চেয়েছেন, সেই সময়ে সনিয়া বলেছেন, ‘‘যে সব দল আজ বিরোধী প্রার্থীকে সমর্থন করছে, তারা সকলেই এই লড়াইয়ে সামিল।’’ সর্বদল বৈঠক বয়কট করেছিল তৃণমূল। বিকেলে সনিয়ার বৈঠকে অবশ্য ছিলেন তৃণমূলের দুই সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং সুগত বসু। ছিলেন সপা, বিএসপি, ডিএমকে, বাম সাংসদেরাও। মীরাকে নীতীশ কুমার সমর্থন না করায় জেডিইউয়ের কেউ ছিলেন না। শরদ যাদব দুপুরে দেখা করেন গোপালকৃষ্ণের সঙ্গে।

Sonia Gandhi Congress Presidential Election Presidential Poll President রাষ্ট্রপতি নির্বাচন Meira Kumar Ram Nath Kovind সনিয়া গাঁধী রামনাথ কোবিন্দ মীরা কুমার
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy