গলায় জড়ানো বিষাক্ত গোখরো। ওই অবস্থাতেই চিৎকার করে নিজের সাহস নিয়ে বড়াই করছেন বৃদ্ধ। মারাত্মক বিষধর সরীসৃপটিকে নিয়ে ছেলেখেলার খেসারত দিতে হল উত্তরপ্রদেশের রামপুরের পঞ্চাশোর্ধ্ব প্রৌঢ়কে। এক বার নয়, পর পর তিন বার ৬ ফুট লম্বা সাপের ছোবল খান তিনি। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মর্মান্তিক সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে সাপের কামড় খাওয়ার এই ভিডিয়োটি। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে সাপটির টুঁটি ধরে মাথার উপরে হাত তুলে রাস্তার ধারে বসেছিলেন রাজ। গলায় বেশ বড়সড় গোখরোটিকে জড়িয়ে ধরে বার বার চিৎকার করে নিজের সাহসিকতা পরিচয় দিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর এই ভয়াবহ স্টান্ট দেখে আশপাশে লোকজন জড়ো হয়ে যায়। তাঁদের উদ্দেশে সাপটিকে মাথার উপরে তুলে দেখাতে থাকেন প্রৌঢ়। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমার মতো বীর এই দুনিয়ায় আর কে আছে?’’ এই কাণ্ড দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দর্শক। বার বার রাজকে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তাঁরা। পথচলতি জনতার সাবধানবাণীতে কান দিতে রাজি হননি ওই প্রৌঢ়। উল্টে তিনি সাপটিকে মাথায় ও গলায় জড়িয়ে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকেন। তাঁকে সাপ নিয়ে হাঁটতে দেখে ভয়ে চিৎকার করে ওঠেন উপস্থিত জনতা। সাপটি রাজ সিংহের টুপি ধরে ফেললে আশপাশের জনতা চিৎকার করে ওঠে। রাজ এতেও দমে যাননি। তার পরেও সাপটিকে নিয়ে ঘুরে বেড়ান। ভিডিয়োটির শেষে রাজকে সাপটিকে গলায় ওড়নার মতো করে জড়িয়ে ধরে হাঁটতে দেখা যায়। সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোখরোটি তিন বার কামড়ে দিতেই মৃত্যু হয় রাজের।
ভিডিয়োটি এক্স হ্যান্ডলের ‘এমকেত্যাগী’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই প্রৌঢ়কে নির্বোধ আখ্যা দিয়েছেন নেটাগরিকেরা। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘বিপজ্জনক সাপের সঙ্গে খেলা করার মধ্যে কোনও বীরত্ব নেই, বোকামি রয়েছে।’’