ফের জেহাদি গ্রেফতার হল নামনি অসমে। সব মিলিয়ে রাজ্যে গ্রেফতার হওয়া জঙ্গির সংখ্যা দাঁড়াল ৫০।
রাজ্যে জেহাদি কার্যকলাপের প্রমাণ মিললেও পুলিশের দাবি, অসমে নাশকতা চালানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। আইসিসের ভিডিওতে যে ‘আইসাম’-এর কথা বলা হয়েছে, তাকে অনেকে অসম বলে মনে করছেন। কিন্তু পুলিশের দাবি, আই-সাম আদতে পূর্ব ভূমধ্যসাগর এলাকায় সিরিয়া, লেবানন, জর্ডন ও ইস্রায়েলকে বোঝায়। সেখানেই আধিপত্য প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে ওই ভিডিওতে।
পুলিশ ও সেনাসূত্রে খবর, আজ বরপেটা ও নলবাড়ি এলাকায় হানা দিয়ে সেনাবাহিনী সন্দেহভাজন চার ব্যক্তিকে আটক করে। তাদের নাম কাসিমউদ্দিন, জওহরউদ্দিন, আক্রাম আলি ও মজিবুর রহমান। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে দু’জনকে নলবাড়ি পুলিশ গ্রেফতার করে। এসপি বেদান্তমাধব রাজখোয়া জানান, ওই দু’জন প্রশিক্ষিত জামাতুল মুজাহিদিন সদস্য বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। তাদের কাজ ছিল নামনি অসম থেকে যুবকদের মগজ-ধোলাই করে প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশে পাঠানো।
এ দিকে, ইসলামি ধর্ম প্রচারক জাকির নাইকের ওয়েবসাইট রাজ্যেও জনপ্রিয় বলে মেনে নিচ্ছে এসবি। কিন্তু জাকির নিয়ে কেন্দ্রের তরফে রাজ্য এখনও কোনও বার্তা পায়নি। রাজ্যে তার ওয়েবসাইট ও চ্যানেল বন্ধ করার দাবি উঠেছে। ডিজিপি মুকেশ সহায় জানান, জাকিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এই প্রথম নয়। ২০০৯ সালেও ধুবুরিতে এমন অভিযোগ এসেছিল। শুধু জাকির নয়, নেট দুনিয়া ব্যবহার করে মৌলবাদীরা রাজ্যেও জেহাদের আদর্শ ছড়াতে চাইছে বলে পুলিশের আশঙ্কা। এসবির আইজি হীরেন নাথ জানান, সাইবার অপরাধ দমন শাখা নেট-দুনিয়ায় বিশেষ নজর রাখছে। সীমান্ত এলাকা ছাড়াও চর এলাকাগুলিতেও চলছে বিশেষ নজরদারি।