×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৯ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

গার্ড দেওয়া থেকে ট্রেন চালানো, এই প্রথম সবই করলেন কুমকুমরা

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ০৮ জানুয়ারি ২০২১ ১৬:৪৫
ছবি: টুইটার থেকে সংগৃহীত।

ছবি: টুইটার থেকে সংগৃহীত।

কুমকুম ডোংরি, উদিতা বর্মা এবং আকাঙ্খা রাই। আপাত অচেনা এই নামগুলিই এখন ঘোরাফেরা করছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। মহারাষ্ট্র থেকে গুজরাত— এই দীর্ঘ পথ তাঁরা পাড়ি দিয়েছেন ট্রেনে করে। না! যাত্রী হিসেবে নয়। বরং মালবাহী ট্রেনকে গার্ড দিয়ে তা চালিয়ে নিয়ে গিয়েছেন দীর্ঘ পথ। পশ্চিম রেলের ইতিহাসে এই প্রথম। পুরোপুরি মহিলাকর্মীদের নিয়ে ছুটল ট্রেন। তিন অনাম্নীই এই মুহূর্তে শিরোনামে।

বুধবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পশ্চিম রেল জানিয়ে দেয় , ৫ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের বসই রোড স্টেশন থেকে মালবাহী ট্রেন নিয়ে যাত্রা শুরু করেন কুমকুমরা। পৌঁছন গুজরাতের বডোদরায়। রেল কর্তৃপক্ষের মতে, মহিলারা যে সমস্ত কাজই করতে সক্ষম এবং তা দক্ষতার সঙ্গেই পারেন, তা দেখিয়ে দিয়েছেন এই তিন জন।

কুমকুমদের এই কীর্তি তারিফ কুড়িয়ে নিয়েছে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালেরও। এই উদ্যোগ যে নারীর ক্ষমতায়নের নয়া নজির গড়বে, তা-ও মনে করেন তিনি। তিনি লিখেছেন, ‘ট্রেন চালানো থেকে শুরু করে গার্ড দেওয়া— সমস্ত দায়িত্ব নিপুণ দক্ষতায় সামলেছেন কুমকুমরা’।

Advertisement


রেলমন্ত্রীর মতোই ওই তিন মহিলার কীর্তিকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটাগরিকরা। বিজয়কুমার শর্মা নামের এক নেটাগরিক টুইটারে লিখেছেন, ‘ভারতের জন্য সত্যিই এটি গর্ব করার মতো বিষয়। নারীর ক্ষমতায়নের জন্য যে চ্যালেঞ্জ নিয়ে সেই দায়িত্ব পালন করেছেন, তার জন্য অভিনন্দন! আপনাদের ধন্যবাদ!’

আরও পড়ুন: টুইটারে ফিরলেও ট্রাম্প আপাতত ব্রাত্য ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে

আরও পড়ুন: একে ৪৭ কিনেছে সুপারি কিলাররা, খুনের হুমকি চিঠি পেলেন নবীন


পশ্চিম রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সুমিত ঠাকুর জানিয়েছেন, মালবাহী ট্রেনে গার্ড দেওয়া বা চালকের কাজ অত্যন্ত শ্রমসাধ্য। তা ছাড়া, দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার প্রয়োজন থাকায় সাধারণত খুব কম সংখ্যক মহিলাদেরই এ কাজে দেখা যায়। তবে কুমকুমদের এই নজিরবিহীন কাজ সে ছবিটা বদলে দিতে পারে।

Advertisement